মুফতি খোন্দকার আমিনুল আবদুল্লাহ্ আজ পাঁচ অক্টোবর শিক্ষক দিবস। তবু আমার কাছে এটি কোনো আনুষ্ঠানিক উৎসব নয়। এটি যেন এক নীরব শ্রদ্ধার দিন—স্মৃতির জানালায় মুখ তুলে দাঁড়ায় কিছু মানুষ, যাঁদের হাতে গড়া আমাদের বেঁচে থাকা, ভাবা, আর মানুষ হওয়া। যখন প্রথমবার কুরআনের অক্ষর হাতে নিয়েছিলাম, তখনও বুঝিনি, সেই অক্ষরের ভেতরেই লুকিয়ে আছে জীবনবোধের পুরো মানচিত্র। সেই মানচিত্রের প্রথম রেখা এঁকেছিলেন …
Read More »ফিচার
চাঁদ কি সত্যিই আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছে?
মুফতি খোন্দকার আমিনুল ইসলাম আবদুল্লাহ বিজ্ঞান বলছে— চাঁদ ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও, এ ঘটনা বাস্তব এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে ঘটছে। প্রতিবছর প্রায় এক থেকে দেড় ইঞ্চি করে চাঁদ পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে— এমনটাই জানিয়েছে নাসা ও বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান। মানুষের চোখে এই পরিবর্তন ধরা পড়ে না, কিন্তু মহাবিশ্বের সময়ের হিসাব অনুযায়ী এটি এক বিশাল …
Read More »সাপ্তাহিক চলনবিল বার্তা, বর্ষ-৯, সংখ্যা-৮, ২০২৫, পৃষ্ঠা-১-৪
বর্ষ-০৯ সংখ্যা ০৮ বুধবার, ০১ অক্টোবর ২০২৫, ১৬ আশ্বিন ১৪৩২, ৮ রবিউস সানি, ১৪৪৭ হিঃ চলনবিলের ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ – একাল ও সেকাল এম.আতিকুল ইসলাম বুলবুল চলনবিলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদ-নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম, গুমানি, আত্রাই, বড়াল, ফুলজোর, চিকনাই,স্বরসতী, গুড়সহ প্রায় ২৯টি। আরো আছে কাটেঙ্গার জলা, কিনু সর্দারের ধর, আক্কেলের ডওর, বেসানি, সাইড খাল, সেরাজুল হক সাহেবের খালসহ আরো নানা নামের …
Read More »সাপ্তাহিক চলনবিল বার্তা , বর্ষ-৯, সংখ্যা-৮, ২০২৫, পৃষ্ঠা-২
ছাগল পালনের এ টু জেড
দারিদ্র্য বিমোচন ও স্বাবলম্বিতার সেরা হাতিয়ার মুফতি খোন্দকার আমিনুল আবদুল্লাহ বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনে ছাগল হলো আয়ের সহজ ও নির্ভরযোগ্য উৎস। সামান্য মূলধন, ছোট পরিসর ও সীমিত শ্রম দিয়েই শুরু করা যায় এ খামার। আর সঠিক পরিকল্পনা ও পরিচর্যা থাকলে কয়েক বছরের মধ্যেই একটি পরিবার আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করতে পারে। তাই ছাগলকে বলা হয়—“গরিবের গরু”, আবার “দারিদ্র্য মুক্তির হাতিয়ার”। ছাগল পালনের …
Read More »শেরপুর-ধুনট থেকে এমপি প্রার্থী প্রভাষক মীর মোঃ মাহমুদুর রহমান
মুফতি খোন্দকার আমিনুল আবদুল্লাহ শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: আলহামদুলিল্লাহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের চলমান রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন ইতিহাস রচনা করল। আজ ২৩ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুরে বগুড়া শহরের ঐতিহাসিক খোকন পার্ক মাঠে অনুষ্ঠিত এক মহাসমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির শায়খে চরমোনাই, মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম দা.বা. আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেন—বগুড়া-৫ আসন (শেরপুর-ধুনট) থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি প্রার্থী হবেন ইসলামী আন্দোলন …
Read More »তামাকমুক্ত প্রজন্ম গড়তে আইন শক্তিশালীকরণের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রজ্ঞা-আত্মা’র গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত তামাক বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে একটি বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে অসংক্রামক রোগে মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশে কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবচেয়ে বড় বাধা তামাক। দেশে মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশই ঘটে হৃদরোগ, ক্যানসারসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগে, যার অন্যতম প্রধান কারণ তামাক। প্রতিদিন গড়ে ৪৪২ জন মানুষ মারা যায় তামাকের কারণে। এই ব্যাপক মৃত্যু হ্রাস, …
Read More »তামাক চাষ বাড়লে, বিলুপ্ত হবে ইলিশ
তামাক চাষ বাড়লে, বিলুপ্ত হবে ইলিশ – আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের হালদার পাড়ে তামাক চাষের ফলে ব্যাপক দূষণের কারণে ২০১৬ সালে নদীতে ইলিশের ডিম উৎপাদন আশঙ্কাজনক হারে কমে যায়। পরে মৎস সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। হালদার পাড়ে তামাকচাষ নিষিদ্ধের উদ্যোগ নিলেও, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতার কারণে নিষিদ্ধ করা যাচ্ছে না। তামাক কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী কার্যক্রম ও সরকারের কিছু উচ্চপদস্থ অসাধু কর্মকর্তারাই এর জন্য দায়ী। আজ সকাল ১১ টায় বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট, উবিনিগ, তাবিনাজ ও ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘পরিবেশ সুরক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা (খসড়া) চুড়ান্ত করা জরুরী’- শীর্ষক ভার্চুয়াল টকশোতে উপস্থিত বিশেষজ্ঞ আলোচকরা এই দাবি জানান। ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের কর্মসূচি প্রধান সৈয়দা অনন্যা রহমানের সঞ্চালনায় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প কর্মকর্তা মিঠুন বৈদ্য। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট এর ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। অধ্যাপক ড. মোঃ মনজুরুল কিবরিয়া (প্রাণিবিদ্যা বিভাগ ও কোঅর্ডিনেটর, হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) বলেন, হালদা অববাহিকার মনিকছড়ি এলাকায় শতশত একর জমিতে তামাক চাষের কারণে নদীতে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন চক্র হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। তামাক চাষে স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হওয়ার পাশাপাশি তামাক গাছের উচ্ছিষ্টাংশ বৃষ্টির পানির ঢলের মাধ্যমে নদীতে পড়ছে।যা দূষণ সৃষ্টির মাধ্যমে মৎস সম্পদকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেঅত্র এলাকাকে মৎস হেরিটেজ ঘোষণা করা হলেও এর অববাহিকায় তামাক চাষ নিষিদ্ধ করা হয়নি যা সরকারের নীতিগত বৈপরিত্যকেই তুলে ধরেউন্নয়ন পরামর্শক নাসির উদ্দীন শেখ বলেন, ফসলের উর্বরতা ও পরাগায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কীটপতঙ্গ তামাক চাষের জমিতে বসে না। ফলে জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে যা আমাদেরকে দীর্ঘমেয়াদী খাদ্য সংকটের দিকে ধাবিত করছে। গো– খাদ্য এবং গবাদিপশুর জন্যও তামাক ক্ষতিকর।ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে তাল মিলিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও পরিবেশকে তামাকের ক্ষতি থেকে রক্ষা করা জরুরি। তিনি তামাক পাতার উপর মওকুফকৃত ২৫% রপ্তানিশুল্ক পুনর্বহালের দাবি জানান।ইপসা’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মো: আরিফুর রহমান উল্লেখ করেন, তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইনে সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় কৃষকদের তামাক চাষে প্রলুব্ধ করছে কোম্পানিগুলো। এমনকি নীতি নির্ধারনী পর্যায়েও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। তিনি আরো বলেন তামাকের বিকল্প চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে কারিগরি সহায়তা, উন্নত ও দ্রুত বর্ধনশীল বীজ সার প্রদানের পাশাপাশি স্বল্প শর্তে ঋণ প্রদান কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একক ফসল হিসেবে আয়– ব্যয় তুলনায় চৌদ্দটি ফসলের মধ্যে ১২ তম অবস্থানে রয়েছে তামাক। সুতরাং তামাক চাষ লাভজনক এটা নিছকই তামাক কোম্পানীর একটি মিথ্যা প্রচারনা। বিশিষ্ট আইনজীবি ও নীতি বিশ্লেষক মাহবুবুল আলম বলেন, বিগত দিনে কৃষি অধিদপ্তর ও কৃষি মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তামাক কোম্পানির সাথে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। সংবিধান ও আদালতের নির্দেশনায় জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তামাক চাষ যৌক্তিক সময়ের মধ্যে কমিয়ে আনতে বলা হলেও নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তাগণ আদালত ও সংবিধানের নির্দেশনা মানছেন না। এমনকি তামাক পাতার মূল্য নির্ধারনী কমিটিতেও সরকারের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে যা খুবই উদ্বেগজনক। তিনি আরো বলেন, সবজী উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর তালিকাতে থাকা সত্ত্বেও সঠিক সংরক্ষনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর মাঠেই ২৫০০ কোটি টাকার সবজী নষ্ট হচ্ছে। পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে তামাকের পরিবর্তে বিভিন্ন উচ্চমূল্যের মসলা চাষের মাধ্যমে প্রতিবছর ৪ হাজার কোটি টাকার অধিক মসলা আমদানীর পরিমানও কমানো সম্ভব। উবিনীগ’র পরিচালক সীমা দাস সীমু বলেন, তামাক চাষের ফলে রবি মৌসুমে ফসলের উৎপাদন কমছে যা জাতীয় খাদ্য ঘাটতির দিকে ধাবিত করছে।তামাক চাষের জন্য কৃষকদেরকে চড়া সুদে সার, বীজ সরবরাহ করা হয় এবং কোম্পানির পক্ষ থেকেই প্রতিবছর পাতার গ্রেড নির্ধারনের সুযোগে চাষীদেরকে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে কম মূল্য দেয়া হয়। ফলে, এই ঋণের বোঝা এবং তামাকের চক্র থেকে চাষী বের হতে পারেনা। পরিশেষে তিনি তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা (খসড়া) চুড়ান্তকরণের পাশাপাশি সরকার সংরক্ষিত বণভূমিতে তামাক চাষের জন্য যেন কোন গাছ কাটা না হয় সেদিকে নজর দেয়ার আহবান জানান।বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের সমন্বয়কারী সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণের কোনো বিকল্প নেই। অথচ রপ্তানি শুল্ক ছাড় দেবার কারণে মাত্র ১ বছরের ব্যবধানে ৫০ হাজার একর জমিতে তামাক চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণে কৃষি মন্ত্রনালয়ের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে সম্পৃক্ত করা জরুরি। এছাড়া, সর্বপরি তামাক চাষকে নিরুৎসাহিত করতে তামাক চাষের জমির উপরে দ্বিগুন পরিমোণে ভূমিকর আরোপের দাবি জানান। এছাড়া, তিনি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণ প্রক্রিয়ায় তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেন।
Read More »আইন বাস্তবায়ন, করফাঁকি, চোরাচালান রোধে তামাক বিক্রেতার নিবন্ধন জরুরি
স্থানীয় সরকার আইন অনুসারে তামাক ও সিগারেট বিক্রিতে লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক। কিন্তু অধিকাংশ সিগারেট ও তামাক বিক্রেতার লাইসেন্স না থাকায় তারা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন করেছে । ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন করে নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে সিগারেট বিক্রিসহ অবৈধ সিগারেটও বিক্রি করছে। এভাবে প্রতিনিয়ত আইনভঙ্গের পরও এ সকল তামাক ও সিগারেট বিক্রিতাকে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। সিগারেট কোম্পানিগুলো সুকৌশলে তামাক ও সিগারেট বিক্রিতাদের ব্যবহার করে কর ফাঁকি ও আইন লঙ্ঘন করে আসছে, আর এ জন্যই সিগারেট কোম্পানিগুলো নিজেদের স্বার্থে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে সিগারেট বিক্রিতে নিবন্ধনের বিরোধীতা করে আসছে। স্থানীয় সরকার গাইডলাইন অনুসারে ৪৩ পৌরসভায় ৪১৫৫টি লাইসেন্স হয়েছে যাতে সরকার ৮৩ লাখ ২০ হাজার টাকা রাজস্ব পেয়েছে; স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান পেয়েছে ২০ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। দেশে ১ লাখ ৫০ হাজার সিগারেট/ তামাক বিক্রেতা আছে, লাইসেন্স হলে সরকারের রাজস্ব আয় হবে ৩০ কোটি টাকা পরিমাণ রাজস্ব লাভ হবে, একই সাথে চোরাচালান এবং অবৈধ কর ফাঁকি রোধ করা সম্ভব হবে।আজ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সকাল ১১ টায় বিজয়নগরস্থ ফার্স হোটেলের সভা কক্ষে অসরকারী সংস্থা এইড ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের যৌথ উদ্যোগে “স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের তামাক নিয়ন্ত্রণে নির্দেশিকা বাস্তবায়নের সফলতা ও চ্যালেঞ্জ: অভিজ্ঞতা বিনিময়” শীর্ষক একটি সভা বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের সমন্বয়ক জনাব সাইফুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিথি হিসাবে আলোচনা করেন জনাব মো: মাহমুদুল হাসান, এনডিসি, মহাপরিচালক, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, জনাব মো. আখতারউজ-জামান, মহাপরিচালক, এনটিসিসি (যুগ্ম সচিব), স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, জনাব মোহাম্মদ হামিদুর রহমান খান, সাবেক সিনিয়র সচিব, ন্যাশনাল কনসালটেন্ট ভাইটাল ষ্ট্রাটেজিস, জনস্বাস্থ্য বিষয়ক নীতি বিশ্লেষক জনাব এডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম তাহিন। এইড ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক শাগুফতা সুলতানা প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের মাধ্যমে এলজিআই গাইডলাইনটি বাস্তবায়নের বর্তমান চিত্র তুলে ধরেন। সভাটি সঞ্চালন করেন এইড ফাউন্ডেশনের সিনিয়র প্রোগাম অফিসার আবু নাসের অনীক। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন তামাক নিয়ন্ত্রণে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ। সভায় আলোচকগণ আরো বলেন, সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের কার্যকর ভূমিকায় জানুয়ারী ২০২১ এ ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা’ প্রকাশিত হয়। তামাকজাত দ্রব্যের (বিশেষকরে সিগারেট/বিড়ি) যত্রতত্র ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও বিক্রয় সীমিতকরণে ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা’ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা’র ৮ এর ৮.১ এ বলা হয়েছে,‘তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রয়কেন্দ্র বা যেখানে তামাকজাত দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় হবে তার জন্য আবশ্যিকভাবে পৃথক লাইসেন্স প্রদান করা এবং প্রতি বছর নির্দিষ্ট ফি প্রদান সাপেক্ষে আবেদনের মাধ্যমে উক্ত লাইসেন্স নবায়ন করা।’ বর্তমান অবস্থায় তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়ে কোন প্রকার নিয়ন্ত্রণ নেই। লাইসেন্সিং ব্যবস্থা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়কে সীমিতকরণ করতে সাহায্য করছে। বিক্রয় সীমিত করা সম্ভব হলে এর ব্যবহারও একসময় কমে আসতে বাধ্য। ৩৭ টি পৌরসভায় ইতিমধ্যে তামাক বিক্রেতাদের জন্য লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া চালু করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৪,১৫৫ জন বিক্রেতাকে লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে, যা …
Read More »চারদশক পর চলনবিলে হেইয়াবোল
আলী আক্কাছ, গুরুদাসপুর (নাটোর) : চারদশক পর হঠাৎ জেগে উঠলো চলনবিল। ১শ’ ফিটের বাহারি নৌকাগুলোর বাইচ দেখতে বিলের দুইপাড়ে লাখো মানুষের ঢল। মুহুর্মুহু বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দে এগিয়ে চলছে একেকটি নৌকা। সেই শব্দে তাল মিলিয়ে গর্জন করে উৎসুক দর্শনার্থীরা প্রেরণা দিচ্ছিল বাইচের নৌকায়। বেরসিক বৃষ্টি বাধা হতে পারেনি অদম্য প্রতিযোগিদের। আল্লাহ-রাসুলের নাম নিয়ে হেইয়াবোল-হেইয়াবোল সহ নানা শ্লোক আর নেচে গেয়ে …
Read More »
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com