চাটমোহরে বিলে ২৭১ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত

Spread the love

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি
পাবনার চাটমোহরে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদোগে রাজস্ব খাতের আওতায় বিভিন্ন বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) উপজেলার ডিকশির বিল, খলিশাগাড়ি বিল, বিল কুড়ালিয়া ও ছাওয়ালদহ জলাশয়ে কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
এসময় পাবনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীপক কুমার পাল জেলা মৎস্য দপ্তরের সিনিয়র সহকারি পরিচালক ড. বায়েজিদ আলম, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মতিন, খামার ব্যবস্থাপক ড. মনাসিস চৌধুরীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আঃ মতিন জানান, রাজস্ব খাতের আওতায় উপজেলার বিভন্ন বিল ও জলাশয়ে ২৭১ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

চাটমোহরে নকল দুধ তৈরির কারখানায়
অভিযানে ৩’শ লিটার ভেজাল দুধ জব্দ
চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি
পাবনার চাটমোহরে ভোজ্য তেল, কস্টিক সোডা, চিনি, জেলিসহ বিভিন্ন কেমিক্যাল মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছিল দুধ। পাবনার চাটমোহর পৌর সদরেই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গোপনে তৈরি করে বাজারজাত করা হচ্ছিল নকল এই দুধ। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরী পৌর সদরের মধ্য শালিখা মহল্লার ঘোষ বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন।এ সময় ৩০০ লিটার ভেজাল ও নকল দুধ জব্দ করা হয়। এ সময় সুমন ঘোষ (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে প্রশাসন। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়।

দন্ডপ্রাপ্ত সুমন ঘোষ মধ্য শালিখা মহল্লার মিষ্টি ও ঘি ব্যবসায়ী অমল চন্দ্র ঘোষের ছেলে। এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরেই অমল ঘোষ, তার স্ত্রী ও ছেলে গোপনে ভেজাল ঘি ও দুধ তৈরি করছেন।চাটমোহর পৌরসভার সেনেটারি ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ দুলাল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেন। বুধবার রাতে অভিযানে সংশ্লিষ্ট বাড়িটি ঘিরে ফেলার পর সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ প্রস্তুতকৃত দুধ পাওয়া যায়। উদ্ধার করা হয় দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ। এরমধ্যে ছিল জেলি, ভোজ্য তেল,ি চনি, কস্টিক সোডাসহ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য রয়েছে।এসব উপকরণ মিশিয়ে কৃত্রিমভাবে দুধের মতো তরল নকল দুধ তৈরি করা হচ্ছিল। পরে তা বাজারে সরবরাহের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। ঘটনাস্থলেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।উপজেলা নির্বাহীঅফিসার মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো ধরনের প্রতারণা বরদাশত করা হবে না। ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অবস্থান কঠোর। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Please follow and like us:
Pin Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD