মোঃ শামছুল হক:সিরাজগঞ্জের তাড়াশ–সলঙ্গা সড়কের বিভিন্ন অংশ দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে পরিণত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী, চালক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যায়, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
সরে জমিনে ঘুরে দেখা গেছে , সলঙ্গা -তাড়াশ জিসি সড়কটির কুঠিপাড়া, বনবাড়িয়া, চারাতলা, নলুয়া দীঘি, রৌহাদহ, আমশড়া এবং আগরপুর অংশে পিচ এবং পাথর উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে আগরপুর নুনিয়া পুকুর পাড় আঃ রশিদের বাড়ী সংলগ্ন ১০০ ফুট রাস্তার এতই বেহাল দশা যে, ১ ফুটেরও বেশি গভীর গর্ত তৈরী হয়েছে।।এতে প্রতিদিন বাস, ট্রাক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং মাঝে মাঝে দূর্ঘটনা ঘটছে । বিশেষ করে রোগী, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।যানবাহনের চালকরা জানান, ভাঙা সড়কের কারণে যানবাহনের যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে এবং অতিরিক্ত সময় ব্যয় হচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে বলেন, তাড়াশ ও সলঙ্গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।
বাংলাদেশের শস্য ও মৎস্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিলে উৎপাদিত বিভিন্ন শস্য ও মৎস্য ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানী করা হয়ে থাকে
তাড়াশ-সলঙ্গার এই রাস্তা দিয়ে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর সংস্কার না হওয়ায় জনদুর্ভোগ ক্রমেই বাড়ছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, সড়কটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুত মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।এলাকাবাসীর আশা, দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু হলে জনদুর্ভোগ কমবে এবং সড়কে নিরাপদ ও স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত হবে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com