সংস্কার, স্বৈরাচারীদের বিচার, নির্বাচন প্রক্রিয়া একসঙ্গে চলতে হবেঃ চরমোনাই পীর
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি.
ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম (শায়েখ চরমোনাই) বলছেন- ‘সংস্কার, স্বৈরাচারীদের বিচার এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া একসঙ্গে চলতে হবে। সংখ্যানুপাতিক হারে (পিআর পদ্ধতি) নির্বাচন ব্যবস্থার পক্ষে ইসলামী দলগুলো ঐক্যমত্য রয়েছে। দেশের সমস্ত ইসলামী দলগুলোকে এক করার জন্য ঐক্য গড়ার চেষ্টা করছি। যাতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী দলগুলো একসঙ্গে থেকে একই বাক্সে ভোট করতে পারে। মানবতার কল্যাণে সবাইকে নিয়েই আমরা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবো।’
মঙ্গলবার বিকেলে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের নিহত সদস্য গোলাম মোস্তফার (৪৫) কবর জিয়ারতে পার-গুরুদাসপুর গ্রামে এসে ওই কথাগুলো বলেন তিনি। নিহতের পরিবারের হাতে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেন এবং পরিবারটির দায়িত্ব নেওয়ারও ঘোষণা দেন চরমোনাই পীর।তৃণমূল নেতাকর্মীদের উদেশ্যে মুফতি ফয়জুল করিম বলেন, ‘৫৩ বছর যারা দেশ শাসন করেছেন তারা দেশকে রক্ষা করতে পারেননি। শুধু নেতা বা দল পরিবর্তন করে দেশে শান্তি আসতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত নীতি ও আদর্শ পরিবর্তন না আসে। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে দেশের মানুষ মুক্তি পাবেন। আসুন দেশ থেকে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাÐের মূল উৎপাটন করতে সবাই হাতপাখা প্রতিকে ভোট দেই।’
এর আগে চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিমকে স্বাগত জানাতে উপজেলার নয়াবাজার বিশ্বরোড মোড়ে মোটরসাইকেলের বিশাল শোডাউন নিয়ে সমবেত হন দলের নেতাকর্মীরা। পরে কবর জিয়ারত ও সহায়তা দিয়ে নাটোর জনসমাবেশে যোগ দেন চরমোনাই পীর। তবে এই সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
এসময় ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান, রাজশাহী ইসলামী যুব আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি নুরুন্নবী, নাটোর জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, জেলা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি ক্বারী মকবুল হোসাইন, রাজশাহী মুজাহিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কামরুল ইসলাম, উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মো. ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম সহ দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।#
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com