তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন
আবুদ কালাম আজাদ:নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর সদরের চাঁচকৈড় বালিকা দাখিল মাদরাসা সুপার পদে কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই ২০ বছর ধরে চাকরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে মো. এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে। তিনি জনবল কাঠামো বিধি লঙ্ঘন করে দু’টি তৃতীয় বিভাগসহ কাম্য যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকা সত্বেও প্রভাব খাটিয়ে সুপার পদে চাকরি করছেন।
শুধু তাই নয় এবতেদায়ী শাখার জুনিয়র মৌলভী থেকে অসৎ উপায়ে বেতন কোড নং ১৫ থেকে ৭ নং কোডে বেআইনিভাবে সরকারি বেতন উত্তোলন করে আসছেন। এমদাদুল হক অনুমোদন না থাকা সত্বেও কম্পিউটার বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে দুই লাখ টাকা আতœসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া নিয়োগ বোর্ডের কমিটিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকেও রাখা হয়নি। উপরোক্ত বিষয়ে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর মো. জাবের আলীর দায়ের করা অভিযোগ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।শিক্ষা সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নাটোর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আব্দুল কুদ্দুস এমপি অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের মহাপরিচালকের কাছে সুপারিশ করেছেন।এবিষয়ে নাটোর জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রমজান আলী আকন্দ বলেন, তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত সুপার এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মহাপরিচালক বরাবর লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। অভিযুক্ত এমদাদুল হক বলেন, আমি নানাভাবে ষড়যন্ত্রের শিকার। ২০১০ সালেও আমার বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ করা হয়েছিলো। তদন্ত কমিটি সেসময় আমার পক্ষেই রায় দিয়েছেন।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com