গোলাম মোস্তফা, বিশেষ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কাবিখা প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী তাড়াশ ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল কাদের ও মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে অধ্যাপক আব্দুল কাদেরের বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক আব্দুল কাদের বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বারুহাস ইউনিয়নের একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আমি। কাবিখা প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো রকমের সম্পৃক্ততা নেই আমার। অথচ, ইউনিয়নবাসীর কাছে আমার ক্লিন ইমেজ প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
সহকারী শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। রাষ্ট্র গঠনে তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে সাংবাদিকতা পেশাকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়ে থাকে। কিন্তু শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যখন মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ হয়, কেবল ভুক্তভোগী নয় পুরো জাতি আশাহত হয়ে পড়ে! চকমির্জাপুর মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্প কমিটির সভাপতি মো. আব্দুস সাত্তার, মনোহরপুর ঈদ মাঠ উন্নয়ন প্রকল্প কমিটির সভাপতি মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তাড়াশ ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল কাদের ও মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলামের প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে সম্পৃক্ততা নেই। তাদের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, “আমাদের দুটি প্রকল্পে শতভাগ কাজ করা হচ্ছে। অর্থ আত্মসাৎ কিংবা কোন প্রকার দুর্নীতি হয়নি।” সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সাংবাদিক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, চকমির্জাপুর মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্প কমিটির কোষাধ্যক্ষ মো. ইয়াছিন আলী, মনোহরপুর ঈদ মাঠ উন্নয়ন প্রকল্প কমিটির কোষাধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন, মনোহরপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শহীদুল্লাহ শাহীন প্রমুখ।এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, চকমির্জাপুর মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্প ও মনোহরপুর ঈদ মাঠ উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন তিনি। কাজ ভালো হয়েছে। বৃষ্টির কারণে কিছু কাজ আটকে রয়েছে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com