হক সাহেবের রাজনীতি : একাল ও সেকাল

Spread the love

আবদুর রাজ্জাক রাজু

এখানে হক সাহেব বলতে বাংলার ‘দ্বিতীয় বাঘ’ চলনবিলের অবিস্মরণীয় নেতা মরহুম মাওলানা সেরাজুল হক সাহেবকে বুঝানো হচ্ছে। তিনি ছিলেন চলনবিল তথা অবিভক্ত বাংলার এক সূর্য সন্তান। প্রথমটি ইতিহাস প্রসিদ্ধ জনননেতা শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক। আর আমাদের আলোচ্য হক সাহেব শিরাজী’র মানসপুত্র, শুধু তাই নয় মহাত্মা গান্ধী থেকে বিপ্লবী কবি নজরুল পর্যন্ত বহু ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যপ্রাপ্ত এক মহান কর্মবীর বিপ্লবী বরণীয় বটে এই সর্বজন শ্রদ্ধেয় মনীষী।

তাই শুরুতেই কিছু ব্য্যতিক্রমী সাদৃশ্য বা মিলের দিকে ইঙ্গিত করতে চাই এই ক্ষণজন্মা অনন্য প্রতিভার ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে। যেমন আমাদের জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম। তিনি ছিলেন গোবরে পদ্মফুল, সীমার মাঝে অসীম ও সাধারণের মধ্যে বিকশিত অসাধারণ এক প্রতিভাধর,  বিশ্ময়কর, এমনকি সত্যি তুলনাবিহীন। অনুরূপ পরিবেশগত দিক থেকে মাওলানা সেরাজুল হক চলনবিলের এক নিভৃত পল্লীর দারিদ্র জর্জরিত, অখ্যাত, অশিক্ষা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন আর্বত থেকে উঠে আসা এক মলিন মাটির মানুষ অথচ বিশাল অনুপম  অনন্য গুণে ও কর্মে।

বড় কোন লেখা-পড়া নেই, অভিজাত কোন বংশোদ্ভূত নয় এবং সোনার চামচ মুখে নিয়েও জন্মাননি তিনি। তথাপি তিনি তদানীন্তন অখন্ড বাংলায় কেবলি নয়, নিখিল ভারতের অসংখ্য জনপদে পদচারণা করে মজলুম জনতার স্বার্থে হয় সংস্কার কর্ম অথবা ন্যায্য দাবী আদায়ের গণ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে কিংবা সহযোগীতা করে ঘুরে বেড়িয়েছেন, ছুটেছেন দূর্বার দুরান্ত বৃটিশবিরোধী সংগ্রাম সংগঠিত বা গড়ে তোলার কাজে। জরাজীর্ণ ভাঙ্গা গ্রাম্য কুটির থেকে যেন ঐশ্বরিকভাবে আবির্ভূত এও এক অবাক করা কীর্তিমান পুরুষ। তাই বলছিলাম, নজরুল অখ্যাত বিবর্ণ অবস্থা থেকে যেমনি চিরখ্যাতিমান তথা উজ্জল ভাস্বর হয়ে আছেন। পক্ষান্তরে হক সাহেবের পল্লী-প্রান্তর থেকে অমূল্য অবদান ও অক্ষয় কীর্তির স্বাক্ষর দীর্ঘকালীন দেদীপ্যম্যান। একজন কাব্য-সাহিত্যে, অন্যজন সমাজকর্ম এবং রাজনীতিতে এবং লেখালেখিতেও বটে। মাওলানা সেরাজুল হকের আরো নিবিড় মিল খুঁজে পাওয়া যাবে বাংলার মজলুম জননেতা আর এক মাওলানা ভাসানীর সাথে। তিনিও সামান্য শিক্ষা ও গ্রামীণ কৃষ্টি-কালচার হতে উদিত  বাংলার এক অনন্য সাধারণ রাজনৈতিক দিকপাল।

আমরা তাঁর সময়ের রাজনীতি চর্চ্চার একটি ধারা বৈশিষ্ট্য বুঝতে পারি বিরাট কৃতিত্বের এই মহান নেতার জীবনাচারণ থেকে। একটা বিশেষ লক্ষণীয় যে, সে সময়ে রাজনীতিতে শিক্ষা-সংস্কৃতি যুক্ত ছিল, ছিল শালীনতা, নৈতিকতা ও সহিষ্ণুতা,ত্যাগ-উৎসর্গ, পারস্পারিক  সম্মান ও সংবেদনশীলতা। আরো ছিল মানবতা-দেশপ্রেম এবং সর্বোপরি কল্যাণের  মহতী আদর্শ। তখন চলছিল তেমনি ক্রান্তিকাল, যখন বৃটিশ ভারতে গান্ধীজীর অহিংস রাজনৈতিক চেতনা ও দর্শনের তরঙ্গ প্রবাহমান। মানুষের অধিকার ও স্বাধিকার অর্জন, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও ন্যায় ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম ইত্যাকার তৎকালীন রাজনীতির লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের মধ্যে নিহিত ছিল বলে প্রতীয়মান হয়। হক সাহেবের জীবদ্দশায় তাঁর সহচর্যে আসা অনেকে এখনো জীবিত। কিন্তু অদ্যাবধি তাঁকে উগ্র,গোঁড়ামীসূচক কোন দূষণমূলক আখ্যা বা অভিযোগে আক্রান্ত হতে শোনা যায়নি। দেখা যায়নি লেখালেখির কোন নিদর্শন বা প্রতিবেদনেও কলুষিত হতে। তার মত মুক্তচিন্তা ও উদার মানসিকতা তথা সত্যিকার আধুনিক প্রগতিশীল দৃষ্টি ভংগির রাজনীতিক আজকে এই চলনবিলেই কেবল নয় সমগ্র দেশেই সন্ধান পাওয়া দুস্কর অথবা হতে পারে হাতে গোনা ক’জন। বৃটিশ উপনিবেশের সেই সামন্ত শাসনামলে রাজা-জমিদারগণ এই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বা পরগণায় এক ভয়াবহ লোমহর্ষক শোষণ পীড়ন ও নির্যাতন বঞ্চনার দোর্দন্ড রামরাজত্ব  কায়েম করেছিল। এদের  অনেকেই বা অধিকাংশই ছিলেন হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত জমিদার। তাদের সে দৌরাত্ম্য, বর্বরতা ও গণবিরোধী কার্যকলাপ ইতিহাসের কালো অধ্যায়ের অন্তর্ভূক্ত যা এখনো প্রবাদের মতো শোনা যায়, দেখা মেলে পাঠ্য পুস্তকের পাতায়। এ সবের বিরুদ্ধে অবশ্য হক সাহেব সোচ্চার,উচ্চকন্ঠ ও দৃঢ় ক্ত্রতিবাদমুখর ছিলেন সদাসর্বদা। কিন্তু এমন প্রভাবশালী উঁচু স্তরের ক্ষমতাধর নেতৃত্বের অধিকারী হওয়া সত্বেও হক সাহেব ধর্মের অপব্যবহার করে অস্থির উম্মাদনার  গোঁড়ামী আশ্রয়ে কোন অশোভনীয় ও হীন কার্যকলাপ রাজনৈতিকভাবে প্রশ্রয় দেননি। রানীতিতে সহমত-সহনশীলতা ও ধর্মনিরপেক্ষতা অনুসরণেরও  তিনি এক পথিকৃৎ। আজকের দিনের মত কালো টাকা ও পেশী শক্তিকে পুঁজি করে পলিটিক্স করার রীতিনীতি মনে হয় তাঁদের সময়ে ছিল কল্পনার বাইরে। কোন অবৈধ অস্ত্রের অস্তিত্ব সম্বল করে পেশী চালনা র্নিভর এবং আত্মস্বার্থ সর্বস্ব রাজনৈতিক অপারেশন বা তৎপড়তা তাদের চিন্তা ও মনে ঠাঁই পায়নি কোনদিন। এখনকার দিনে রাজনৈতিক পক্ষ-প্রতিপক্ষের কুৎসা-কটুক্তি আক্রমন-প্রতি আক্রমণ ছাড়া আমাদের সমাজে নিত্য দিনের রাজনৈতিক অনুশীলনের দৃষ্টান্ত পাওয়া দুস্কর। বিষোদ্বগার করাই যেন এখন পলিটিক্যাল কালচারের অঙ্গ। কে ফেরেশতা, কে শয়তান সেটাই প্রমাণের এবং পরস্পরকে জনতার মাঝে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রতিযোগীতা চলে প্রতিনিয়ত। সেখানে ন্যূনতম শিষ্টাচার,ভদ্রতা তথা মনুষত্ব্য ও শালীনতা বির্বজিত। হক সাহেবের রাজনীতি করার মধ্যে আমরা তার গন্ধটুকুও টের পাই না। হতে পারে ইদানিংকার আর্থ-সামাজিক ও বিশ্ব প্রেক্ষাপট ভিন্ন তৎকালীন সমাজচিত্র অপেক্ষা। তাই বলে রুচিবোধ ও স্বাভাবিক সৌজন্যতা হারিয়ে যাবে তা মেনে নেয়া যায় না। উল্লেখ্য যে, মৌখিক হুমকিতো এখন নস্যি, বরঞ্চ প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে অর্থ-জীবন-সম্পদ বিনিয়োগ করে, প্রয়োজনে প্রাণে আঘাত করে পরপারে পাঠিয়ে দেয়ার মতো পাশবিক নির্মমতা আর নিষ্ঠুরতা যেন বর্তমানে স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। রাজনীতিতে মাস্তানী ও সহিংসতা এখন প্রত্যাহিক প্রধান খবর। এমনকি  এধরনের অমানবিক হিংস্র নৃশংসতা ও জিঘাংসার একটি বর্ণও হক সাহেবের রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্যে ও মানদন্ডে পাওয়া যাবে না। বর্তমানের এই নৈতিক বিচ্যুতি রাজনৈতিক সংস্কৃতির উন্নয়ন না অবনতি সেটাই বিচার্য। অবশ্য আগেই বলেছি সেকালের রাজনৈতিক দৃশ্যপট এবং একালের একই দিগন্তে সম্পূর্ণ আলাদা আবহাওয়া বিরাজমান। এই পরিবর্তনকে আমরা এক অর্থে বলতে পারি নেগেটিভ চেঞ্জ। যদিও যুগ এগিয়ে গেছে, যোগাযোগ তথ্য প্রযুক্তির প্রসার, এক কথায় বিজ্ঞানের অভ’তপূর্ব অগ্রগতির সুবাদে মানুষ সেই মধ্যযুগীয় তিমিরাচ্ছন্ন ধ্যানধারনার বেড়াজাল ছিন্ন করে এসেছে বিশ্বায়নের আলোকিত জগতে। তা সত্বেও বিশেষত: উপমহাদেশের ক্ষুদ্রতম মানচিত্রের এই অল্প বয়সী দেশটিতে সম্প্রতি রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে ঘটে চলেছে বিপরীত ঘটনা প্রবাহ যা সম্পূর্ণ উৎকর্ষ ও উন্নয়নের পরিপন্থী। আমাদের এই জাতীয় অবক্ষয় ও চরম মূল্যবোদের চরম ধস হক সাহেব বেঁচে থেকে স্বচক্ষে দেখলে হয়তো উচ্চ রক্তচাপে দিশেহারা হয়ে যেতেন। ফলে সাম্প্রতিক রাজনীতির প্রতি সাধারণ মানুষের ঘৃণা ও  অশ্রদ্ধা বেড়েছে। এখন মানুষ রাজনীতিবিদদের বাটপার, টাউট ও ধাপ্পাবাজ বলে অনেক ক্ষেত্রে মনে করে থাকে। ফলে হালে সুশীল সমাজ, সুশাসন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা তথাকথিত রাজনীতিকদের শুধু মুখে শোনা যায়, বাস্তবে ক্ষমতা ও স্বার্থের ভন্ডামী ও নোংরামীর এমন নজির আগেকার দিনে ছিল বিরল।

এই হতাশাব্যাঞ্জক পটভূমিতে হক সাহেব যুগের রাজনীতি সেবীদের অনান্য গুণ-বৈশিষ্ট্যের পর্যালোচনায় সামান্য যেতে চাই। সে সময়ে তিনি রাজনীতির পাশাপাশি করেছেন সাহিত্য-সংবাদ, সমাজকর্ম ,ধর্মীয় সংস্কারমূলক কর্মকান্ড বুদ্ধিবৃত্তির চর্”া হিসেবে। হক সাহেব এ ব্যাপারে তাঁর শিক্ষা গুরু কবি ,লেখক, রাজনীতিক, দার্শনিক, সাহিত্যিক তথা বহুগুণবিশিষ্ট সৈয়দ ইসমাইল হোসেন শিরাজী কর্তৃক অনুপ্রাণিত ও দীক্ষিত। অর্থাৎ রাজনীতির সাথে সাথে অনান্য সুকোমল বৃত্তির  অনুশীলন বা নান্দনিক চর্চার রেওয়াজ তখথনকার দিনে বিদ্যমান ছিল তা প্রমাণিত। তাই তাঁর প্রণীত অমর জীবন কাহিনী অমরত্বের অনুসন্ধিৎসার প্রতি আগ্রহের পরিচয় বহন করে। তিনি আরো লিখেন সে যুগের  অনবদ্য সাহিত্য সংযোজন ‘শিরাজী চরিত’ নামে বিখ্যাত জীবনী গ্রন্থ।মূলত এটা আর অমর প্রাণ পুরুষ ইসমাইল হোসেন শিরাজীর জীবন কাহিনি।  আর সেই বিখ্যাত গ্রন্থ গবেষণা করে উল্লাপাড়া নিবাসী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক গোলাম সাকলায়েন সাহেব লাভ করেন পিএইচডি ডিগ্রি। চলনবিলের আর এক কৃতি সন্তান ও হক সাহেবের সুযোগ্য শিষ্য অধ্যক্ষ এম.এ.হামিদ রচনা করেন ‘কর্মবীর সেরাজুল হক’। এভাবে হক সাহেবের জীবন ও কর্ম কত বর্ণাঢ্য এবং বৈচিত্রপূর্ণ তা বুঝা যায় সে বই থেকে।  সে যুগের সেরাজুল হক এর যোগ্য আদর্শিক ভাবানুরাগী হিসেবে গড়ে ওঠেন অধ্যাপক এম.এ হামিদ ও তোফায়েল উদ্দিন সিদ্দিকী এবং এযুগের রুহুল আমীন প্রমুখ সহ  চলনবিলের এই নয়া প্রজন্মের কত না লেখক, সাংবাদিক,সাহিত্যিক,বুদ্ধিজীবী,সমাজ এবং উন্নয়ন কর্মী। পক্ষান্তরে আজকের রাজনীতিবিদদের সুযোগ্য উল্টরসূরী হচ্ছে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ‘গড ফাদার’ লেজুরবৃত্তি করা ছাত্র-শিক্ষক। এক কথায়  সভ্যতা ও মানবতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া অশুভ অপশক্তি। এই যে, দুটো সম্পূর্ণ বিপরীত ও ভিন্নমূখী বৈসাদৃশ্যপূর্ণ ¯্রােতধারা যার একটা সুন্দর সুরুচীর দিকে ধাবিত অন্যটি মানববিধংসী অভিশাপ ও পাপাচারের নামান্তর। এই ধরণের কুঝ্ঝটিকার কারণেই আমরা যেন হক সাহেবের মতো মনি মুক্তা তুল্য মানুষকে ভুলতে বসেছি। এখনকার নতুন প্রজন্মের প্রায় সবার কাছেই হক সাহেব আজো এক অজানা-অচেনা ব্যক্তিত্ব। তাঁকে চিনে জেনে অনুসরণ ও তাঁর নীতি- আদর্শ বাস্তবায়নের কোন ফলপ্রসু উপায় বোধ হয় আমরা বের করতে পারছি না। প্রবাদে আছে, যে জাতি গুণীজনের মর্যাদা দিতে জানে না সে জাতি কখনো বড় হতে পারে  না । এক্ষেত্রে আমাদের একটি অব্যাহত শুন্যতা থেকে যাচ্ছে বরাবরই। ভবিষ্যত নাগরিকদের মধ্যে হক সাহেবের বহুমুখী জীবন ও কর্মকাহিনী তুলে ধরা অতি আবশ্যক। সেটা করতে ব্যর্থ হলে তা একদিকে যেমনি তার প্রতি যোগ্য সম্মান প্রদর্শন ও তাঁকে যথার্থ মূল্যায়নে  আমাদের অক্ষমতার সামিল। অপরদিকে তাঁর মতো মূল্যবান মানব সম্পদের কলাণকর নির্যাস গ্রহণ থেকে আমরা বঞ্চিত হয়ে জাতিগতভাবে পঙ্গুত্ব প্রাপ্তি ও পশ্চাদপদ থেকে যাবো।

মরহুম মাওলানা সেরাজুল হক স্মরণে বিগত বছরগুলোতে (প্রতি বছর ১৫ নভেম্বরে তাঁর ওফাত দিবস) প্রায়শঃ নিস্প্রাণ ও নিরানন্দ কর্মসূচীতে যেসব প্রস্তাব ও সুপারিশ উত্থাপিত হয়েছে তার কিছুই বাস্তবায়নের মুখ দেখেননি। সম্ভবতঃ এ দৈন্যতার দায়ভাগ পড়ে প্রধানতঃ তাড়াশবাসীর ওপর। যে অধ্যাপক এম.এ. হামিদ প্রতি বছর এই দিনে আমাদের অচেতন ঘুম ভাঙ্গিয়ে মাওলানাকে স্মরণ করতে স্বয়ং তাড়াশে এসে সবাইকে জাগিয়ে তুলতেন, কয়েক বছর পূর্বে তিনিও আমাদের মাঝ থেকে বিদায় হয়ে  চলে গেছেন। আমরা আজকের এই দিনে আমাদের ভাবাদর্শের প্রকৃত  প্রতীক  মরহুম এম সেরাজুল হকের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি মহান করুনাময়ের নিকট।

Please follow and like us:
Pin Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD