রামিসার খুনী “সোহেল” এর ফাঁসি চায়  ধর্ষিতার পরিবার ও  দেশবাসী

Spread the love
মো: শাহ আলম, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
মঙ্গলবার ১৯ মে ২০২৬ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা কে কৌশলে   ফ্ল্যাটে ডেকে নেয়  সোহেল । এরপর বাথরুমে নিয়ে শিশুটিকে পাশবিকভাবে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে রামিসা জ্ঞান হারিয়ে ফেললে, ঠিক ওই মুহূর্তেই বাইরে থেকে দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেন মা পারভীন আক্তার।
ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে তখনই বাথরুমে রামিসা কে গলা কেটে হত্যা করে সোহেল। সবশেষে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো ছুরি দিয়ে মাথা কেটে আলাদা করে বালতিতে লুকিয়ে রাখে এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে দেহটি খাটের নিচে ঢুকিয়ে দেয়।
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিশু রামিসা কে (৮) নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে এমন লোমহর্ষক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক সোহেল । আর সেখানেই বেরিয়ে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।জবানবন্দিতে ঘাতক সোহেল আরও জানায়, ঘটনার আগে সে ইয়াবা সেবন করেছিল এবং রামিসার পরিবারের সাথে তাদের কোনো পূর্বশত্রুতাও ছিল না। ধর্ষণের পর জানাজানির ভয়েই সে ফুটফুটে শিশুটিকে হত্যা ও লাশ খণ্ডবিখণ্ড করে। এমনকি এ সময় শিশুটির সংবেদনশীল অঙ্গও ক্ষতবিক্ষত করে সে।
আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ড ও লাশ খণ্ডবিখণ্ডের পুরো সময়টায় ঘাতক স্ত্রী স্বপ্না একই রুমে থেকে স্বামীকে সরাসরি সহযোগিতা করেন। পরে রামিসার মা ও প্রতিবেশীরা দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করলে সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পুলিশ প্রথমে স্ত্রী স্বপ্নাকে এবং পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে ঘাতক সোহেলকে গ্রেপ্তার করে। এই পাশবিকতার খবর প্রকাশ্যে আসতেই স্তম্ভিত ও ক্ষুব্ধ পুরো নেট দুনিয়া। ঘাতক  “সোহেল ” এর  গ্রামের বাড়ি নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলায়। তার গ্রামের প্রতিবেশীরা এই খবর শুনে ঘৃণা প্রকাশ করেছেন এবং বলেন,  সোহেল আগে থেকেই খারাপ, সে একজন  দাগী আসামি, কয়েক বার জেলও খেটেছে । আইনের ফাঁকে সে যেন বের হতে না পারে,  এমনটাই প্রত্যাশা দেশবাসীর।

Please follow and like us:
Pin Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD