ডিপোর তেল পাচ্ছেনা কৃষক
গুরুদাসপুর প্রতিনিধি.
রেশনিং পদ্ধতির পরও বাজারে এবং পাম্পে তেল পাচ্ছেন না কৃষকরা। আর মাত্র দু’একটি সেচ দিলে বোরো ধান পাকতে শুরু করবে। এসময় জমিতে সেচ দিতে না পারলে থর ধান চিটা হয়ে যাবে। রসুন আবাদেও একই দুরাবস্থা। ডিজেল অভাবে সেচ দিতে পারছেন না তারা। মার্চে ডিপোতে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করা হলেও সরকার নির্ধারিত দামে এজেন্টদের ডিপো থেকে ডিজেল-অকটেন দেওয়া হচ্ছেনা।
উপজেলার বামনবাড়িয়া গ্রামের কৃষক মতি মিয়া বলেন, তিন বিঘা জমিতে রোপা আমন চাষ করেছি। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে তেলের চাহিদা বেড়ে গেছে। অতিরিক্ত টাকা দিয়েও তেল পাচ্ছিনা। জমিতে দুটো সেচ দিতে পারলে আর প্রাকৃতিক বিপদ না ঘটলে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে।
উদবাড়িয়া গ্রামের কৃষক টমেট আলী, জবতুল্লাহ সহ অনেকেই জানায়, একবিঘা জমিতে বোরো চাষ করতে খরচ হচ্ছে প্রায় ১৬ হাজার টাকা। সেচ মালিকদের আগে দিতে হতো ২ হাজার টাকা। এখন ডিজেলের দাম বাড়ায় খরচ নিচ্ছেন ২ হাজার ৫শ টাকা।
কৃষি কর্মকর্তা রাফিউল ইসলাম জানান, গুরুদাসপুরে চলতি বোরো মৌসুমে
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com