সলঙ্গা(সিরাজগঞ্জ) থেকে ফারুক আহমেদঃ

১২ ফেব্রুয়ারী আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর মাত্র কয়েক দিন পরে ভোট হলেও সিরাজগঞ্জ -৩ আসনে ভোটের লাড়াইয়ে প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াতের প্রার্থী না থাকায় প্রচার প্রচারণা উত্তাপ নেই মাঠে। চায়ের দোকান গুলিসহ চলছে সর্বত্র আলোচনা ও সমআলোচনার ঝড়। ইতি মধ্যেই নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে (বাংলাদেশ খেলাফত মুসলিস)। ১০ দলীয় জামায়াত জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ -৩ রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা আসনে রিকশা প্রতিকের পদপ্রার্থী মাঠে আলোচনায় নতুন অপরিচিত মুখ হাফেজ মুফতি আব্দুর রউফ। যদিও তারা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হলেও নির্বাচনীও মাঠে তাদের নেই কোনো তেমনি পরিচিত। নির্বাচনী মাঠে তাদের লড়তে হবে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ বড় দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে মনোনীত ধানের র্শীষ প্রতীক পাওয়া ভিপি আয়নুল হকের সঙ্গে নির্বাচনি মাঠে। স্থানীয়রা বলছেন, এই আসনে দশ দলীয় জোটের প্রার্থীরা ছাড়াও মাঠে আছে জাতীয় পাটির ফজলুল হক, সতন্ত্র প্রার্থী ইলিয়াস রেজা রবিন থাকলেও প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী প্রফেসর শায়েখ আলহাজ্ব ড. আব্দুস সামাদ দীর্ঘ সাড়ে নয় মাস ধরে এই আসনে স্থানীয় জামায়াতের অঙ্গ সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও সলঙ্গার আনাছে কানাছে, অলি ও গলিতে জনসাধাণদের সাথে নিয়ে নির্বাচনীও মাঠ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে ছিলেন এমনকি সর্বসাধারণদের মনেও তিনি ভালোবাসার জায়গা করে নিয়ে ছিলেন। তিনি থাকলে হয়তো তিনি এই আসনে ভোটের মাঠে প্রতিপক্ষের জন্য হুকির ও প্রাচিরের দেয়াল তৈরি করে পতিত আওয়ামীলীগ, স্বৈরাচারী এরশাদ ও বিএনপির নির্বাচনী দূরর্গ ঘাটি হিসেবে পরিচিত রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা আসনটি স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে হলে এবার জামায়াত বিজয়ের দার প্রান্তে চলে গিয়েছিল। জামায়াতে প্রার্থী এখন না থাকায় বিএনপি প্রার্থীর সাথে লড়াই তো দূরের কথা আকাশ পাতাল ভোটের ব্যবধান হার তৈরি হবে বলে মনে করেন স্থানীয় সর্বসাধারণ জনগণ। তারা মনে করেন এই আসনটি বিজয় বিএনপির জন্য নিদিষ্ট সময়েের অপেক্ষা মাত্র। এ এক অভূত বিজয়,খালি মাঠে ফাঁকা খোল দেওয়ার মত স্বপন। বাংলাদেশ খেলাফত মুসলিসের রিকশা মার্কা প্রার্থী হাফেজ মুফতি আব্দুর রউফকে সমর্থন জানিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদের সদস্য প্রফেসর শায়েখ আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুস সামাদ দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থিতা তুলে নিয়েছেন। দলের এই হঠকারিতা সিন্ধান্তে দলের নেতা কর্মীরাসহ জন মনে হতাশা সূষ্টি করেছে।
তবে হাফেজ মুফতি আব্দুর রউফকে এ আসনে লড়তে হবে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে।
রায়গঞ্জ সাবেক পৌরসভার মেয়র জামায়াত নেতা মোশারফ হোসেন বলেন, দিন ও রাতে এক করে মাঠে -ঘাটে পরিশ্রম বিজয়ের দ্বার প্রান্তে এনে আসন ছেড়ে দেওয়ার মতো নজির আরো কোন দলের নেই। একমাত্র জামায়াত ইসলামীর পক্ষেই সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি অন্যান্য দলের নেতাদের উদ্দেশ্য করে বলেন আপনারা জামায়াতের সমালোচনা করার আগে অবশ্যই আজকের ড.আব্দুস সামাদের এই ত্যাগের কথা মনে রাখবেন। সেই সাথে তিনি এটাও দাবি করেন আগামী সংসদ নির্বাচনে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জোরালো প্রচারনা চালানো। এবং হ্যাঁ ভোট জয়ী হলে উচ্চু কক্ষের এমপি হিসাবে অধ্যাপক আব্দুস সামাদের নাম অবশ্যই রাখতে হবে। যদি না রাখা হয় তাহলে এত সহজে মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন। স্থানীয়রা বলছেন, সিরাজগঞ্জ -৩ আসনে ত্রিমুখী লড়াই হবে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com