হোসাইন আহমাদ:
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীণে পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় ক্ষুরা রোগের ৭ম ডোজ বিতরণ কার্যক্রম চলছে । তারাশ উপজেলার আটটি ইউনিয়নে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে । গত ২৩শে ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারী হাসপাতাল, তাড়াশ এর অধীনে ” গরু মহিষের ফ্রি ভ্যাকসিন ক্যাম্প ” এর উদ্বোধনী কার্যক্রম শুরু হয় । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নুসরাত জাহান ও উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার জনাব আমিনুল ইসলাম। তাড়াশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারী হাসপাতালের ভ্যাকসিনেটর মোঃ আলাউদ্দিন জানান, আমরা তাড়াশ থানার ০৮টি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে বাড়ী বাড়ী গিয়ে বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিন বিতরণ করছি । উপজেলা প্রাণিসম্পদের বর্তমান অফিসার ডাঃমোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন,বাংলাদেশে গবাদিপশুর ভাইরাসজনিত রোগগুলোর মধ্যে ক্ষুরা রোগ অন্যতম। এটি পশুর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হ্রাস করে, বিশেষ করে দুধ উৎপাদনকারী পশুর ক্ষেত্রে পরিমাণ অনেকটা কমিয়ে দেয়। ফলে কৃষক ও খামারিরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। তাই ক্ষুরা রোগ তাদের জন্য আতঙ্কের নাম। যদিও সব ঋতুতেই এ রোগ দেখা যেতে পারে। তবে বর্ষাকালে এর প্রাদুর্ভাব তুলনামূলকভাবে বেশি হয়ে থাকে।এই মৌসুমে আমাদের প্রায় এক লক্ষ আট হাজার আটশত গবাদি পশুকে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরিকল্পিনা রয়েছে । ক্ষুরা রোগের লক্ষণ সম্পর্কে তিনি বলেন , শরীরের তাপমাত্রা প্রায় ৪০° সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় (জ্বর)।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com