শাহজাহান,তাড়াশ,সিরাজগঞ্জ ঃ সিরাজগঞ্জেরতাড়াশউপজেলায়চলতিরবি মৌসুমেরশুরুতেই দেখা দিয়েছে সার সংকট। প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে কৃষকরাপ্রতিদিনডিলারদের দোকানেঘুরে বেড়াচ্ছেন। উপজেলা কৃষিঅফিসকখনো¯িøপপদ্ধতিতে, আবারকখনো উন্মুক্তভাবে সার বিতরণকরায়পরিস্থিতিআরওজটিলহয়ে উঠেছে।কৃষকদেরঅভিযোগ, কিছুপরিবেশক কৃত্রিমসংকট তৈরিকরেবাজারে অস্থিরতা সৃষ্টিকরেছেন। তবেউপজেলা কৃষিঅফিসের দাবি, এ উপজেলারজন্য পর্যাপ্তপরিমাণ সার বরাদ্দরয়েছে।
উপজেলা কৃষিঅফিস সূত্রে জানাযায়, তাড়াশেবিসিআইসি ও বিএডিসিমিলে মোট ২৯ জনপরিবেশক (ডিলার) এবং পৌরসভা ও আটইউনিয়নে ৭২ জনসাব-ডিলাররয়েছে। চলতি মৌসুমেসরিষা, আলু, ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুনসহবিভিন্নরবিফসলেরজন্য প্রায় ১৫ হাজার হেক্টরজমিতেআবাদ লক্ষ্যমাত্রানির্ধারণকরাহয়েছে। এরমধ্যে সরিষারআবাদইপ্রায় ১০ হাজার হেক্টর।
মাঠপর্যায়ে দেখা গেছে, সারেরচাহিদা থাকলেওডিলারদেরঅনেকেই দোকানবন্ধরাখছেনবাবলছেন‘সার শেষ’। বৃহস্পতিবারউপজেলা কৃষিঅফিসের তথ্যমতেতিনজনডিলার সার বিতরণকরছেন। সরেজমিনে দেখাযায়, তাড়াশসদরের পার্থ এন্টারপ্রাইজেশতশত কৃষক সার পাওয়ারঅপেক্ষায়সারাদিন অবস্থানকরছেন।সরকারিনীতিমালাঅনুযায়ী কৃষকদেরডিএপি সার ব্যবহারেউৎসাহিতকরাহয়েছে, কারণ এতে ফসফরাসেরপাশাপাশিনাইট্রোজেন ও ক্যালসিয়াম থাকায়ফসলের বৃদ্ধি ভালো হয়। কিন্তু বাজারে এই সারইসবচেয়ে বেশিসংকট দেখা দিয়েছে। ফলেঅনেক কৃষক প্রয়োজনীয়ডিএপি সার না পেয়েভুট্টা, সরিষা ও অন্যান্য রবিফসলেরআবাদে সমস্যায়পড়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষিঅফিস থেকে কখনো¯িøপপদ্ধতিতে, কখনো উন্মুক্ত পদ্ধতিতে সার বিতরণকরাহচ্ছে। এরফলেঅনেক কৃষকনিজইউনিয়নেরবদলে অন্য ইউনিয়নেরডিলারেরকাছ থেকে সার আনতেবাধ্য হচ্ছেন, এতে সময় ও পরিবহনখরচ দুটোইবাড়ছে।উপজেলা কৃষিকর্মকর্তাজানিয়েছেন, উপজেলার কোথাওসারেরঘাটতি নেইএবংপর্যায়ক্রমে আরওবরাদ্দ দেয়া হবে। উপজেলাপ্রশাসনের পক্ষ থেকেও পরিস্থিতিতদারকিকরাহচ্ছে।#শাহজাহানতাড়াশসিরাজগঞ্জ,
চলনবিলে কৃষকনাহয়েও পেলেন প্রণোদনার সার বীজ
শাহজাহানতাড়াশসিরাজগঞ্জ ঃ চলনবিলে কৃষকনাহয়েও পেলেন প্রণোদনার সার বীজ । সিরাজগঞ্জনাটোর ও পাবনারতাড়াশ ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহরে কৃষি প্রণোদনাকর্মসূচির সার ও বীজবিতরণ ও তালিকা তৈরিতেব্যাপকঅনিয়মকরাহয়েছেবলেঅভিযোগ উঠেছে। এই তালিকাঅনুসারেসরকারি সার ও বীজ পেলেনরাজনৈতিককর্মীরা। তারা কৃষকবাচাষিনাহয়েও এ সকলউপকরণ পেয়েছেনবলেঅভিযোগ। গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কৃষি প্রণোদনাকর্মসূচিরআওতায়বিনামূল্যে সার ও বীজবিতরণকর্মসূচিরউদ্বোধনকরা হয়।
উপজেলা কৃষিসম্প্রসারণঅধিদপ্তরেরআয়োজনেউপজেলাপরিষদ মিলনায়তনেরবি মৌসুমেসরিষা, গম, সূর্যমুখি, মসুর, খেসারী, অড়হড় ও শীতকালীন পেঁয়াজআবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদেরমাঝে এই সার বীজবিতরণকরা হয়। কৃষকবাচাষি নন-এমনঅনেকেই পেয়েছেন এই সার ও বীজ। পরেতারা সেগুলোবিক্রি করেটাকাপকেটেতুলেছেন। আরওঅনেকেই এই সার ও বীজপাবেন।
অভিযোগএকটিরাজনৈতিক দলেরকর্মীরারাজনৈতিকবিবেচনায় কৃষি প্রণোদনাকর্মসূচিরআওতায় সার ও বীজ পেয়েছেন। চা বিক্রেতা, সাইকেল মেকার, বেকার, ভূমিহীনএমন ব্যক্তিরা এই সার ও বীজ পেয়েছেন। অথচ প্রকৃত কৃষকঅনেকেইবাদ পড়েছেন এই তালিকা থেকে। এনিয়ে কৃষকদেরঅনেকেই ক্ষোভপ্রকাশকরেছেন।
সার ও বীজবিতরণউদ্বোধনীঅনুষ্ঠানেবিষয়টি উপস্থাপনকরাহলেউপজেলানির্বাহীঅফিসারমুসানাসের চৌধুরীবলেন, যদি এ ধরণের কোন ব্যক্তির নামতালিকায় থাকে, তাহলেঅবশ্যইতারনামবাদ দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়াহবে।এ বিষয়েউপজেলা কৃষিকর্মকর্তা কৃষিবিদ কুন্তলা ঘোষের সাথে বারবার যোগাযোগকরাহলেতিনি ফোনরিসিভকরেননি। উল্লেখ্য রবি মৌসুমে এ উপজেলায় ১০ হাজার ১শ’ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরমাঝে এই সার ও বীজ প্রদানকরাহচ্ছে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com