সলঙ্গা প্রতিনিধি :
দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই কোরবনীর পশুর চাহিদা বাড়ছে।জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানীর পশুর হাট।তবে এবারে সলঙ্গায় পর্যাপ্ত কোরবানীর পশু প্রস্তত থাকলেও ক্রেতার সংখ্যা কম বলে জানান বিক্রেতারা। পশুর ন্যায্য দাম নিয়েও হতাশায় ভুগছেন পশুর মালিক ও ব্যবসায়ীরা।সলঙ্গার প্রত্যন্ত এলাকা,গ্রামের প্রান্তিক কৃষকরা প্রায় বাড়িতেই কোরবানীর হাটে বিক্রির আশায় গরু-ছাগল লালন পালন করেছেন।ব্যাংক,বীমা,এনজিও’র কিস্তিতে টাকা তুলে তারা পশু কিনেছে।কোরবানীর হাটে বিক্রির আশায় সারা বছর ক্ষেত-খোলার ঘাস খিলে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে খড়,খৈল,ভুষিতে ধাপে ধাপে খরচ আর পরিচর্যা করে আসছে একমুঠে কিছু টাকা পাবার আশায়।বেশির ভাগ বাড়ির গৃহিনীরা এসব পশুর পরিচর্যা করে আসছেন। আবার কিছু খামারিরা আধুনিক পদ্ধতিতেও গড়ে তুলেছেন তাদের খামারের পশু।শেষ সময় পর্যন্ত পরিচর্যা করেই চলেছে প্রান্তিক কৃষক ও খামারিরা। সলঙ্গার প্রাচীনতম সলঙ্গা হাট,ভুইয়াগাতী হাট,হাটিকুমরুল হাট ও নলকায় গরু হাটা বসে।বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে ঈদের পুর্ব মুহুর্তে প্রতিটি হাট গরু-ছাগলে জমজমাট আর ঠাসাঠাসি।কিন্ত এবারে এ সকল হাটে পশুর সরবরাহ বাড়লেও ক্রেতা কম।রায়গঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস সুত্রে জানা গেছে,এবারে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে মোট ৮১ হাজার কোরবানীর পশু প্রস্তত রয়েছে।যা চাহিদার তুলনায় বেশি।তারা আরও জানায়,কৃষি প্রধান এলাকা হিসেবে চিহ্নিত প্রায় বাড়িতেই কোরবানীর পশু প্রস্তত করা হয়েছে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com