আশরাফুল ইসলাম আসিফ:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে শুরু হয়েছে বিনা হালে রসুন চাষ। এ বছর প্রায় ৪২৫ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে । এতে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকেরা। চলনবিলে বিল এলাকায় বিলের পানি নিমে গেলেই শুরু হয় রসুন চাষ করা। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও রসুন বোনার সময়। চোখ মিললেই দেখা যায় শাড়ি বদ্ধ হয়ে নারী পুরুষ বসে রসুন বপন করছে। কার্তিক মাসের শেষে পানি নেমে গেলে পলি জমা কাদা মাটিতে বিনা হালে রসুনের কোয়া বপন করে কৃষকেরা। নাদোসৌয়দপুর গ্রামের আলহাজ্ব চাঁদ আলী বলেন, রোপন শেষে ধানের নারা বা খর বিছিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে জমিতে সার প্রয়োগ ও পানি সেচ দেওয়া হয়। রোপন শেষে বিঘা প্রতি ২৫ কেজি ইউরিয়া সার দিতে হয়। নওগা গ্রামের কৃষি শ্রমিক রতন কুমার মাহত বলেন, আমারা কার্তিক মাসের শেষে যখন বিলের পানি নেমে যায়। তখন আমরা নারী পুরুষ এক সাথে রসুন, পিঁয়াজ, ভুট্টা রোপনের কাজ করি৷ নারী শ্রমিকদের ৫০০ থেকে ৫৫০ মজুরি দেয় এবং আমাদের ৭০০থেকে ৮০০টাকা দেয়।
এ বছর সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় ৪২৫ হেক্টর জমিতে রসুনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাল চাষ ছাড়া ৩০ হেক্টর জমিতে রসুনের লাগানে হয়েছে। তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুলাহ আল মামুন জানান, বিনা হালে রসুন চাষে লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছরই রসুন চাষে কৃষকদের আগ্রাহ বারছে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com