তাড়াশ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিদ্যুৎ গ্রাহকগণ ভুতুরে বিলের কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। করোনার কারণে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সরকারীভাবে সমন্বয়ের কথা বলা হচ্ছে। এঁটা শুধু তাড়াশের জন্য নয় সারা দেশের জন্যই প্রযোজ্য। অথচ সরকারী নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অফিসে বসে ইচ্ছে মতো ভুয়া বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছে পল্লী বিদ্যুতের তাড়াশ জোনাল অফিস।
অফিস থেকে বিভিন্ন আবাসিক- বাণিজ্যিক গ্রাহকদের কাছে অতিরিক্ত বিল মৌখিকভাবে সমন্বয় করার কথা বললেও তা না করে বরং উল্টো ক্রমবর্ধমানহারে বানোয়াট বিল দিয়ে চলেছে অব্যাহতভাবে। সরেজমিনে তাড়াশ সদরে এলটি এ আবাসিক ক্যাটাগরীর মিটার নং -৫০১৮০০২৮৬৪২৯ এর গ্রাহকের নামে চলতি বছরের মার্চে ৬১২টাকা ,এপ্রিলে ৭৩২ টাকা , মে ৮৫৩ টাকা এবং জুন ২০২০ মাসে ১৩৪৬ টাকা বিল দেয়। বিলের এই ক্রমাগত উর্দ্ধমুখি প্রবনতা কিসের লক্ষণ তা সহজেই বোঝা যায়। একই রকম ভুতুরে বিল অব্যহত আছে াণিজ্যিক মিটারের ক্ষেএেও। তাড়াশের শত শত অন্যান্য বিদ্যুৎ গ্রাহকেরও একই অবস্থা বলে জানা যায়।
এ ব্যাপারে তাড়াশ পল্লীবিদ্যুতের এ,জি,এম(কম) মো: রাব্বুল হাসান জানান, মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে লকডাউন চলাকালিন যে বিদ্যুৎ বিল করা হয়েছিল সেখানে কিছুটা ক্রুটি লক্ষ্য করা গেছে। ওই সমস্ত বিল সমন্বয় করার জন্য মাইকিং করে গ্রাহকদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত বিল নিয়ে গ্রাহকদের দুচিন্তার কোন কারন নেই। বিল নিয়ে অফিসে এলে অবশ্যই সমন্বয় করে দেয়া হবে।তাড়াশ পল্লী বিদ্যুতের ডি,জি,এম ফজলেরাব্বীর ০১৭৩৯৪০২১৭৭ নং মোবাইল এ ফোন দিলে তিনি পরে জানাবেন বলে মোবাইল কেটে দেন । তবে পল্লী বিদ্যুতের বিল সমন্বয়ের ঘোষণা শুধুই ফাঁকা বুলি। কেননা গত তিন মাস যাবৎ তার ভূয়া বিল দিয়ে আবোলতাবোল বলে চলেছে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com