তাড়াশ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের তাড়াশসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার ১০ হাজার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় একটি প্রভাবশালী প্রতারক চক্র কর্তৃক লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে ব্যাপকভাবে জাল-জালিয়াতি করে ৩৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। সেখানে চলছে শতকোটি টাকার ঘুষবাণিজ্যও। এসকল ঘটনার কঠোর শাস্তি দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সরকারি এক আদেশমতে একযোগে সারাদেশের বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ৩৫ হাজার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা স্থাপিত হয়। মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষকগণ দীর্ঘ দিন যাবৎ বেতন ভাতা না পাওয়ার কারণে তা ৯০ ভাগই বন্ধ হয়ে যায় বিভিন্ন সময়ে। এর মধ্যে কিছু মাদ্রাসা এখনও চালু আছে কোনমতে এবং ওই মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষকগণ সামান্য বেতন ভাতাও পাচ্ছেন। ৭০ ভাগ ওই মাদ্রাসার ঘর-দরজা,ছাত্র-ছাত্রী কাগজ কলমে থাকলেও বাস্তবে সেখানে কিছুই নেই দীর্ঘ দিন ধরে। যা তদন্ত করলে প্রমাণও মিলবে।
সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে, সরকারিভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে সারাদেশের ওই সকল স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা সরকারি করা হবে। একারণে সারাদেশের ওই ১০ হাজার মাদ্রাসার জন্য জাল-জালিয়াতি করে শিক্ষক প্রতি ২ থেকে ৫ লাখ টাকা ডোনেশন নিয়ে প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করছে একটি প্রভাবশালী প্রতারক চক্র। এতে করে সেখানে প্রায় শতকোটি টাকার ঘুষবাণিজ্য হচ্ছে। এর সাথে স্থানীয় প্রশাসনের কিছু অসৎ লোকজনও জড়িত আছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি প্রভাব খাটিয়ে এবং প্রতারণা করে ওই মাদ্রাসাগুলোতে অনেকপূর্বে নিয়োগকৃত অসংখ্য শিক্ষককে বাদও দিচ্ছেন ওই প্রতারক চক্র।।সিরাজগঞ্জ জেলাধীন তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের শাকুয়া দিঘী ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদী মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন মাদ্রাসা ঘুরে ও নানান সূত্রে এসকল তথ্য জানা গেছে। সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এসকল ঘটনার কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন এলাকার সচেতন মহল।এসকল বিষয়ে অভিযুক্তরা কথা বলতে নারাজ।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com