গত ২ মে ২০২৫ তারিখে দৈনিক জয়সাগর পত্রিকায় প্রকাশিত “পিটিয়ে ছাত্রীর হাত ভেঙ্গে দিলেন শিক্ষক” শিরোনামে খবরটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। পত্রিকায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ২৭ মে ২০২৫ তারিখে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে দিঘড়িয়া-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: আবু মাসুদ দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী মারুফা খাতুনকে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দিয়েছেন। সহকারী শিক্ষক মো: আবু মাসুদ বলেন, খবরটা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট। আমাকে স্থানীয়ভাবে হেয়-প্রতিপন্ন করাই মূল উদ্দেশ্য। ২৭ তারিখে আমি যথানিয়মে ২য় শ্রেণির ক্লাসে পাঠদান শেষে দুপুর ১২টায় তাদের ছুটি হলে মারুফা খাতুন সহ অন্যান্যরা হাসি-খুশিভাবেই বিদ্যালয় ত্যাগ করে। পরের দিন ২৮ তারিখ আমার জেলায় বিশেষ কাজ থাকায় ছুটি নিয়ে সিরাজগঞ্জে থাকি। ২৯ তারিখে বিদ্যালয়ে এসে যথারীতি পাঠদান করালেও উক্ত ছাত্রী উপস্থিত না থাকায় তার কোনো খোঁজ নিতে পারি নাই। পরের কর্মদিবস ০১ জুন আমি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ঐ শ্রেণিতে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মারুফার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তারা সকলেই বলে, স্যার ২৭ তারিখে আপনি ক্লাসে প্রবেশ করার পূর্ব থেকেই মারুফা খাতুন হাত ধরে কান্না করছিলো। তাতে স্পস্টতই প্রতিয়মান হয় যে, শ্রেণি শিক্ষক ক্লাশে প্রবেশ করার পূর্বেই মারুফা খাতুন কোনো না কোনোভাবে হাতের কনুইয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
মো: আবু মাসুদ, সহকারী শিক্ষক,
দিঘড়িয়া-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ;
মোবাইল: ০১৭১৯৯২৯৩৭৮।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com