তাড়াশ-রাণীরহাট সড়কের মেরামত কাজে ধীরগতি:জন দূর্ভোগ চরমে

Spread the love

লুৎফর রহমান : সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় তাড়াশ-রাণীরহাট সড়কের তাড়াশ-রাণীরহাট-শেরপুর (জেড-৫০৪৯) সড়কের ১ম কিলোমিটার হতে ১৭তম  কিলোমিটার পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ, মজবুতিকরণ ও মেরামত কাজে নি¤œ মানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠার পাশাপাশি কাজের ধীরগতির কারণে জন দূর্ভোগ চরমে উঠেছে।

অভিযোগের পেয়ে সিরাজগঞ্জ সড়ক বিভাগ (সওজ)  কয়েক দফা সর্তকীকরণ চিঠি দিলেও নির্মাণকারী  প্রতিষ্ঠান মো. ময়েন উদ্দিন (বাঁশি) লিমিটেড নি¤œ মানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে প্রথম দফা কাজ করে ফেলে রাখার  অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

জানা গেছে, জেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প (রাজশাহী জোন) থেকে রাজশাহী অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় হতে ৩০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যায়ে  সিরাজগঞ্জের তাড়াশ-রাণীরহাট সড়ক প্রশস্তকরণ, মজবুতিকরণ ও মেরামত কাজের দরপত্র আহব্বান করা হয়।

এতে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মো. ময়েন উদ্দিন (বাঁশি) লিমিটেড তাড়াশ -রাণীরহাট সড়কের প্রশস্তকরণ, মজবুতিকরণ ও মেরামত কাজের কার্যাদেশ পান।

সেই অনুসারে গত ২৫ মে সিরাজগঞ্জ -৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ আনুষ্ঠানিক ভাবে  তাড়াশ -রাণীরহাট সড়কের তাড়াশ-রাণীরহাট-শেরপুর (জেড-৫০৪৯) সড়কের ১ম কিলোমিটার হতে ১৭তম  কিলোমিটার পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ, মজবুতিকরণ ও মেরামত কাজের উদ্বোধন করেন। পরে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ১৭.০০ কিলোমিটার ওই সড়কে কাজ শুরু করেন।

ইতোমধ্যেই সড়ক প্রশস্তিকরণের জন্য পার্শ্ব সড়ক খনন করে সেখানে বালি ও খোয়া ফেলে সাববেইজ করা হয়। কিন্ত যে বালি দিয়ে কাজ হয়েছে তা মূলত মাটি মিশ্রিত বালি। আর খোয়া গুলো বেশির ভাগ নি¤œমানের ইটের আধলা আকৃতির।যারফলে সারা রাস্তায় বৃষ্টি-কাদায় একাকার হয়ে চলাচলের বিঘœ সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি হলেও  টনক নড়েনি সওজ বিভাগের।

এ প্রসঙ্গে মো. ময়েন উদ্দিন (বাঁশি) লিমিটেড’র ঠিকাদার দুলাল হোসেন (০১৭১৫-২৩৩৫২৭৫) মুঠোফোনে এ প্রতিনিধিকে জানান, সড়কে সামান্য কিছু খারাপ বালি ভুলক্রমে ফেলা হয়েছিল । পরে তা উঠিয়ে নেয়া হয়েছে।

কিন্তু একাধিক এলাকবাসাী অভিযোগ করে বলেন, শুধু বালি নয় সেখানে যে ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে সেই সকল ইটের আকৃতি অনেক বড়। ফলে নি¤œ মানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করায় সড়কের প্রসস্তিকরনে কাজের গুনগত মান একেবারেই নি¤œ । ফলে সড়কটি মেরামত ও প্রশস্তকরণের পর তা কতদিন টেকসই হবে তা নিয়ে আশংকা প্রকাশ করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।

সিরাজগঞ্জ সড়ক বিভাগের (সওজ) র নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম (পিকে) (০১৭৩০-৭৮২৭১৮)  জানান, তাড়াশ -রাণীরহাট সড়কের নি¤œ মানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করায় ঠিকাদারকে লিখিত ভাবে কারণ দর্শানোর চিঠি দেয়া হয়েছে। এছাড়া যথাযথভাবে কাজটি করার জন্য ঠিকাদারকে মৌখিকভাবে বলাও হয়েছে। এতে কাজ না হলে পরবর্তী পদক্ষেপ দ্রুতই নেয়া হবে।

Please follow and like us:
Pin Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD