তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দত্তবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা রত্নগর্ভা মা বাসন্তী রানী মাহাতো (৭২) রোববার দুপুর দেড়টার দিকে নিজ বাড়িতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে পরলোক গমন করেছেন। মূত্যুকালে তিনি চার মেয়ে, এক ছেলে, নাতী- নাতনীসহ অসখ্য গ্রুনগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার সন্ধ্যায় স্থানীয় বিষমডাঙ্গা মহাশশ্নানে বাসন্তী রানী মাহাতোর শেষকৃত অনুষ্ঠিত হয়।
সদ্য প্রয়াত বাসন্তী রানী মাহাতোর স্বামী প্রয়াত নিমাইচন্দ্র মাহাতো একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি আদিবাসী এলাকায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীসহ সকলের জন্য বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় জমিদানসহ বিভিন্ন ভাবে ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী বাসন্তী রানী মাহাতো নিজে স্ব- শিক্ষিত হলেও নানা প্রতিকুল পরিন্তিতি মোকাবেলা করে তাঁর চার মেয়ে ও এক ছেলেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলেন। একই সঙ্গে আদিবাসী এলাকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ছেলে- মেয়েদের শিক্ষা বিস্তাওে অন্যতম বাতিঘরও ছিলেন।
বাসন্তী রানী মাহাতোর বড় মেয়ে নিলিমা রানী মাহাতো শিক্ষকতা করেন। মেঝ মেয়ে প্রভাতী রানী মাহাতো নারী ও শিশু বিষায়ক অধিদপ্তরে উচ্চপদে আসিন। সেঝ মেয়ে অনিমা রানী মাহাতো সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত, ছোট মেয়ে প্রীতি রানী মাহাতো চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মাষ্টার্স করছেন এবং একমাত্র ছেলে প্রদীপ কুমার মাহাতো স্থানীয় নিমগাছী ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। এ ছাড়া তাঁর মেঝ মেয়ে প্রভাতী রানী মাহাতোর স্বামী দেবেন্দ্রনার্থ ওঁরাও হিন্দু কল্যাণ ষ্ট্রাষ্টের সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়া বাসন্তী রানী মাহাতো রত্নগর্ভা মা হিসেবে রাজশাহী বিভাগীয় পর্য্যায়ে সন্মননা পেয়েছিলেন।-
সদ্য প্রয়াত বাসন্তী রানী মাহাতোর স্বামী প্রয়াত নিমাইচন্দ্র মাহাতো একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি আদিবাসী এলাকায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীসহ সকলের জন্য বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় জমিদানসহ বিভিন্ন ভাবে ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী বাসন্তী রানী মাহাতো নিজে স্ব- শিক্ষিত হলেও নানা প্রতিকুল পরিন্তিতি মোকাবেলা করে তাঁর চার মেয়ে ও এক ছেলেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলেন। একই সঙ্গে আদিবাসী এলাকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ছেলে- মেয়েদের শিক্ষা বিস্তাওে অন্যতম বাতিঘরও ছিলেন।
বাসন্তী রানী মাহাতোর বড় মেয়ে নিলিমা রানী মাহাতো শিক্ষকতা করেন। মেঝ মেয়ে প্রভাতী রানী মাহাতো নারী ও শিশু বিষায়ক অধিদপ্তরে উচ্চপদে আসিন। সেঝ মেয়ে অনিমা রানী মাহাতো সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত, ছোট মেয়ে প্রীতি রানী মাহাতো চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মাষ্টার্স করছেন এবং একমাত্র ছেলে প্রদীপ কুমার মাহাতো স্থানীয় নিমগাছী ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। এ ছাড়া তাঁর মেঝ মেয়ে প্রভাতী রানী মাহাতোর স্বামী দেবেন্দ্রনার্থ ওঁরাও হিন্দু কল্যাণ ষ্ট্রাষ্টের সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়া বাসন্তী রানী মাহাতো রত্নগর্ভা মা হিসেবে রাজশাহী বিভাগীয় পর্য্যায়ে সন্মননা পেয়েছিলেন।-
Weekly Chalonbeel Barta chalonbeelbarta.com