চাটমোহরে বিরোধপূর্ণ জায়গার বাড়িঘর ভাংচুর,পরস্পর বিরোধি বক্তব্য

Spread the love
চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
পাবনার চাটমোহর পৌর সদরের বালুচর মহল্লায় বিরোধপূর্ণ জমির দখল নিয়ে শনিবার সকাল ৬টার দিকে বসতবাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ও দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। যদিও এনিয়ে পরস্পর বিরোধি বক্তব্য পাওয়া গেছে।
অভিযোগ করা হচ্ছে, বালুচর মহল্লার মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলীর প্রথম স্ত্রী ও মেয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। এই বাড়ি নিজের দাবি করে রমজান আলীর জামাতা কামরুজ্জামান দলবল নিয়ে এসে ভাংচুর ও দখলের চেষ্টা করেন।জানা যায়,মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলী তাঁর নিজ বসতবাড়ি তার তিন মেয়েকে দিয়ে যান। এখানে তার প্রথম স্ত্রী ও মেয়ে বসবাস করেন। একই জমি তার জামাতা কামরুজ্জামান স্ত্রী ও শ্যালিকার কাছ থেকে ক্রয় করেন। ১২০৪ নং দাগের ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ জমি কামরুজ্জামান তার শ্যালিকা মনিরা মুক্তা ও স্ত্রী রোকসানা পারভীন রত্মার কাছে থেকে দলিল মূলে কিনে নিয়ে খাজনা খারিজসহ নামজারি সম্পন্ন করে বসবাস করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তার শ্যালিকা ও শাশুড়িকে বসবাস করতে দিয়ে চলে আসেন। এরপর থেকেই তার শাশুড়ি ও শ্যালিকা এই বসতবাড়ি জবরদখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে আদালতে মামলা ছাড়াও একাধিক সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু কোন প্রতিকার পায়নি কামরুজ্জামান। সমস্যার সমাধানও হয়নি।
 শনিবার সকালে কামরুজ্জামান নতুন বাড়ি নির্মাণের জন্য পুরাতন ঘর ভেঙে ফেলতে লোকজন নিয়ে যান। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকিবিতন্ডা ও মারামারির ঘটনা ঘটে। কামরুজ্জামান তার বসত ঘর ভাঙ্চুরের চেষ্টা করেন।  এসময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে কামরুজ্জামান চলে যান। এ ব্যাপারে মনিরা মুক্তা বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে চাটমোহর থানায় মামলা দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।
কামরুজ্জামান জানান,আমি বৈধভাবে জমি কিনেছি। সেখানে আমার ঘর রয়েছে। আমি নিজের জমিতে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। কামলা নিয়ে বাড়ির জায়গা পরিস্কার করতে গিয়েছিলাম। এসময় তারা বাধা দেন। এনিয়ে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। কামরুজ্জামান বলেন,তারা আমার জায়গা জবরদখল করে রেখেছে,আমি জমি উদ্ধারসহ ন্যায় বিচার চাই।
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) লালবুর রহমান জানান,এ বিষয়ে মামরা হয়েছে। আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি
পাবনার চাটমোহর পৌর সদরের বালুচর মহল্লায় বিরোধপূর্ণ জমির দখল নিয়ে শনিবার সকাল ৬টার দিকে বসতবাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ও দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। যদিও এনিয়ে পরস্পর বিরোধি বক্তব্য পাওয়া গেছে।
অভিযোগ করা হচ্ছে, বালুচর মহল্লার মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলীর প্রথম স্ত্রী ও মেয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। এই বাড়ি নিজের দাবি করে রমজান আলীর জামাতা কামরুজ্জামান দলবল নিয়ে এসে ভাংচুর ও দখলের চেষ্টা করেন।
জানা যায়,মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলী তাঁর নিজ বসতবাড়ি তার তিন মেয়েকে দিয়ে যান। এখানে তার প্রথম স্ত্রী ও মেয়ে বসবাস করেন। একই জমি তার জামাতা কামরুজ্জামান স্ত্রী ও শ্যালিকার কাছ থেকে ক্রয় করেন। ১২০৪ নং দাগের ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ জমি কামরুজ্জামান তার শ্যালিকা মনিরা মুক্তা ও স্ত্রী রোকসানা পারভীন রত্মার কাছে থেকে দলিল মূলে কিনে নিয়ে খাজনা খারিজসহ নামজারি সম্পন্ন করে বসবাস করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তার শ্যালিকা ও শাশুড়িকে বসবাস করতে দিয়ে চলে আসেন। এরপর থেকেই তার শাশুড়ি ও শ্যালিকা এই বসতবাড়ি জবরদখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে আদালতে মামলা ছাড়াও একাধিক সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু কোন প্রতিকার পায়নি কামরুজ্জামান। সমস্যার সমাধানও হয়নি।
 শনিবার সকালে কামরুজ্জামান নতুন বাড়ি নির্মাণের জন্য পুরাতন ঘর ভেঙে ফেলতে লোকজন নিয়ে যান। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকিবিতন্ডা ও মারামারির ঘটনা ঘটে। কামরুজ্জামান তার বসত ঘর ভাঙ্চুরের চেষ্টা করেন।  এসময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে কামরুজ্জামান চলে যান।
এ ব্যাপারে মনিরা মুক্তা বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে চাটমোহর থানায় মামলা দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।
কামরুজ্জামান জানান,আমি বৈধভাবে জমি কিনেছি। সেখানে আমার ঘর রয়েছে। আমি নিজের জমিতে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। কামলা নিয়ে বাড়ির জায়গা পরিস্কার করতে গিয়েছিলাম। এসময় তারা বাধা দেন। এনিয়ে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। কামরুজ্জামান বলেন,তারা আমার জায়গা জবরদখল করে রেখেছে,আমি জমি উদ্ধারসহ ন্যায় বিচার চাই।
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) লালবুর রহমান জানান,এ বিষয়ে মামরা হয়েছে। আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
জাহাঙ্গীর আলম
চাটমোহর পাবনা  প্রতিনিধি
৩১/১০/২০২৬
০১৭৩০-১৮৫৬১০

Please follow and like us:
Pin Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD