সগুনা প্রতিনিধি:
চড়কুশাবাড়ি এলাকায় অবস্থিত চড়কুশাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় (প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩) এবং পাশের চড়কুশাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৯) দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী ও ১৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়ে পরিচালিত উচ্চ বিদ্যালয়টি এলাকাবাসীর কাছে আস্থার প্রতীক। এছাড়া উক্ত বিদ্যালয়টি নির্বাচনের একটি কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
তবে সম্প্রতি বিদ্যালয়ের মাঠের বেহাল অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ছে, ফলে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মাঠে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য তা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মাঠটির কোনো সংস্কার হয়নি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মাঠের মাটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে এটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে।”
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, একটি সুস্থ ও নিরাপদ মাঠ শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তারা আশঙ্কা করছেন, খেলাধুলার সুযোগ না থাকলে শিক্ষার্থীরা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে।
শিক্ষার্থীরাও দ্রুত মাঠ সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, একটি উপযোগী খেলার মাঠ তাদের সুস্থ জীবনধারার জন্য অপরিহার্য।
এলাকাবাসীর জোর দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে মাঠটি সংস্কার করে। এতে করে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনা ও খেলাধুলা চালিয়ে যেতে পারবে এবং শিক্ষা ব্যবস্থার মান আরও উন্নত হবে।
চড়কুশাবাড়ি এলাকায় অবস্থিত চড়কুশাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় (প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩) এবং পাশের চড়কুশাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৯) দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী ও ১৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়ে পরিচালিত উচ্চ বিদ্যালয়টি এলাকাবাসীর কাছে আস্থার প্রতীক। এছাড়া উক্ত বিদ্যালয়টি নির্বাচনের একটি কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
তবে সম্প্রতি বিদ্যালয়ের মাঠের বেহাল অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ছে, ফলে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মাঠে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য তা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মাঠটির কোনো সংস্কার হয়নি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মাঠের মাটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে এটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে।”
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, একটি সুস্থ ও নিরাপদ মাঠ শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তারা আশঙ্কা করছেন, খেলাধুলার সুযোগ না থাকলে শিক্ষার্থীরা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে।
শিক্ষার্থীরাও দ্রুত মাঠ সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, একটি উপযোগী খেলার মাঠ তাদের সুস্থ জীবনধারার জন্য অপরিহার্য।
এলাকাবাসীর জোর দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে মাঠটি সংস্কার করে। এতে করে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনা ও খেলাধুলা চালিয়ে যেতে পারবে এবং শিক্ষা ব্যবস্থার মান আরও উন্নত হবে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com