কাজের নেতা
খন্দকার গোলাম কিবরিয়া উজ্জল
হামকুড়িয়া,তাড়াশ-সিরাজগঞ্জ।
০১৭১৩-৭১৩৩৪৯ (্আশির দশকে লেখা)
বাংলাদেশে নেতার মেলা নেতার হাট বাজার
বোঝা যায়না কোন নেতা কখন হয় কার।
কেউ হয় কাজের নেতা কেউ খায় ঘুস
অনেক নেতার ব্যবহারে হাহিয়ে যায় হুশ।
অনেকে নেতা হয় জন সেবার লাগি
অনেক নেতা দেশের সম্পদ করে ভাগাভাগী।
সিরাজগঞ্জ তাড়াশ থানায় জম্ম অনেক নেতার
কাজের হিসাবে দেখা যায় খতিয়ান নাই তার।
এক নেতা সবান কাছে কাজের পাগল ছিল
কাজের কথা বললে তাকে অমনি বলতো চলো।
গবীব দুঃখী তার কাছে ভেদাভেদ ছিলো না
কুলি শ্রমিক সবার কাছে নেতা সে একজনা।
তাড়াশ থানার সকল গ্রাম পরিসংখ্যান করে
সেই নেতার উন্নয়ন সবার চোখে পড়ে।
স্কুল কলেজ রাস্তা ঘাট সকল উন্নয়ন
কাজের জন্য ব্যস্ত থাকতেন সদা সর্বক্ষন।
যে যখন ডাকতো তাকে আসতেন ছুটে তিনি
তাইতো তিনি জনগনের ছিলেন চোখের মনি।
জনগনের চাকুরীর জন্য ছিলেন নিবেদিত
কত জনের চাকুরী দিলো প্রমান দিবো কতো ।
মাথায় থাকতো সব সময় কেমনে করবে কাজ
দুর্নীবাজদের বিরুদ্ধে করতেন প্রতিবাদ।
সাদা সিধে পোষাক পড়তেন সাধারন চলন
তাইতো তাকে নেতা বানান দেশের জনগন।
মানুষের সাথে দেখা হলে সালাম দিতেন আগে
মানুষের উপকার করতেন নিজের স্বার্থ ত্যাগে।
আর কি আসবে তার মতো কাজ পাগল নেতা
মৃত্যুর পরেও জনগন ভুলবে না তার কথা।
ছাত্র জীবন শেষ না করেই এলেন রাজনীতিতে
প্রথম বারেই চেয়ারম্যান হলেন অনেক ভোটে জিতে।
সব সময় মাথার ভিতর খেলতো কাজের ব্রেন
দ্বিতীয বারে হয়ে গেলেন উপজেলা চেয়ারম্যান।
সবার মাঝে হাজির হলো ফুটান্ত গোলাপ
তাড়াশ খানায় তৈরী হলো উন্নয়নের ম্যাপ।
প্রথম জীবনে শিক্ষাকতা শেষ জীবনে কবি
লেখার মাঝে খুজে পেলেন বেচে থাকার ছবি।
তার কাজের গতির সাথে আর কারো নাই মিল
সে আর কেউ নয় সরদার আব্দুল জলিল।
দোয়া করি মহান আল্লাহ রেখো তাকে সুখে
মরনের পরে যায়গা যেন হয় জান্নাতে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com