ডাঃ আমজাদ হোসেন: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিভিন্ন গ্রামীণ হাট বাজারে বন্যার পানির পোনা মাছ কেনাবেচা হচ্ছে। সকালের বাজারগুলোয় বেশী পরিমাণ পোনা মাছ কেনাবেঁচা হয় বলে জানা গেছে। সরকারি নিষেধ না মেনে বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া উন্মুক্ত মাঠ ঘাট থেকে বাদাই জালে পোনাসহ সব ধরণের মাছ ধরা হচ্ছে। এসব পোনা মাছ এখন ধরা ও বেচা বাদ থাকলে ক’মাসেই নদী খালবিল মাছে ভরপুর হয়ে যাবে।
এবারের বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানি কিছুটা দেরীতে এসেছে। উপজেলার পাথার প্রান্তরের মোহনপুর, উধুনিয়া ও বড় পাঙ্গাসীসহ ইউনিয়নের মাঠ ঘাটগুলো বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। সরকারীভাবে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া মাঠ ঘাট জলাশয় থেকে বাদাই জাল কিংবা কোনো জালে সব ধরণের পোনামাছসহ ছোটো কোনো মাছ ধরা ও বেঁচা যাবে না।
সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে নাগরৌহা গ্রামীণ বাজারে তিনজনকে বন্যার পানির পোনা মাছ এনে বেঁচতে দেখা গেছে।
উধুনিয়ার সৈয়দ আলী ও পলাশ জানান, তারা রাতের বেলায় এলাকার মাঠে বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া মাঠ থেকে বাদাই জালে এ মাছ ধরে বেঁচতে এনেছেন।
চিনা ধুকুরিয়া গ্রামের সাগর জানান, নিজের জাল নেই। এলাকার কয়েকজন রাতের বেলায় বাদাই জাল টেনে পোনা মাছ ধরে পাইকারী বেচেন। তাদের কাছ থেকে সে পোনা মাছ কিনে এনে নাগরৌহা বাজারে বেচছেন। এরা তিনজনই গত দিন তিনেক হলো এ বাজারে ভোর সকালে পোনা মাছ এনে বেচাকেনা করছেন।
বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাতের শেষ ভাগে বাদাই জালে ধরা মাছ এলাকার গ্রামীণ হাট বাজারগুলোয় বেচাকেনা করা হয়। উপজেলার নাগরৌহা, চড়ুইমুড়ী, কয়ড়া, বিনায়েকপুরসহ আরো বিভিন্ন গ্রামীণ হাট বাজারে বন্যার পানির পোনা মাছ অবাধে কেনাবেচা হচ্ছে।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান বলেন, পোনা মাছ ধরা ও বেচা বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরই মধ্যে একদিন অভিযান চালিয়ে প্রায় আড়াই লাখ টাকা দামের সত্তর পিচ। বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধংস করা হয়েছে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com