চলনবিল প্রতিনিধিঃনিহত আলী আকবর (৪৩) সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের প্রস্তাবিত কমিটির আহবায়ক এবং বড় সারটিয়া গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রান্দুরীবাড়ি হাটখোলায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে সহকারী পুলিশ সুপার (বেলকুচি সার্কেল) মো. সিদ্দিক আহম্মেদ জানান।
স্থানীয়দের বরাতে সদর থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় বাজারে নিহত আলী আকবর চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে বসে ছিলেন। দুবৃর্ত্তরা খুব কাছ থেকে আকবরের মাথায় একটি গুলি করে। প্রাথমিকভাবে এর চেয়ে বেশি কিছু জানা যায়নি।নিহতের লাশ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রয়েছে জানিয়ে তিনি ঘটনাস্থল বেলকুচি থানার আওতাধীন হওয়ায় ওই থানার পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করবে।সহকারী পুলিশ সুপার সিদ্দিক বলেন, ঘটনার পর স্থানীয়রা আলী আকবরকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।“সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। ঘটনার পর বাজারের ব্যবসায়ীরা ভয়ে সব দোকান পাট বন্ধ করে চলে গেছে। যে কারণে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পেতে একটু সময় লাগছে।“
রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে বেলকুচি থানার ওসি গোলাম মোস্তফা জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে কোনো শক্রতার কারণেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। রাজনৈতিক কোনো বিষয় যুক্ত কিনা তদন্ত না করে বলা যাবে না। তিনি বলেন, নিহতের বাড়ি সদর থানার ভেতরে হলেও ঘটনাস্থল বেলকুচি থানার অর্ন্তভূক্ত। মামলাও করতে হবে বেলকুচি থানায়। এ ঘটনায় এখনও কেউ আটক হয়নি।জেলা যুবদলের সভাপতি মির্জা আব্দুল জব্বার বাবু বলেন, আলী আকবরের কোনো ব্যক্তিগত শক্র নেই। তার অভিযোগ, আওয়ামী লীগের লোকেরাই এ হত্যাকান্ডে জড়িত। ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত এর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কে এম হোসেন আলী হাসান বলেন, “বিএনপি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে। আমরা এখন দলীয় সম্মেলন নিয়ে ব্যস্ত আছি। এ ঘটনায় আমাদের দলের কেউ জড়িত নয়।”
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com