মোঃ মুন্না হুসাইন :
সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নে মহেশলৌহালী,বিরলহালী ও পংরৌহালী এই তিন গ্রাম বাংলাদেশের মধ্যে শ্রেষ্ট অঞ্চল বা গ্রাম বলে ধরা হয়। কারন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে যেমন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা গরে উঠেছেন, তেমনি সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার সমস্ত মানুষ জানে যে ,মুজিবের আদর্শে গড়া তিনটি গ্রাম আছে সেগুলো হল,মহেশরৌহালী,বিরলহালী,পংরৌহালী। আমি আরেকটি কথা বলতে চাই যে, বাংলাদেশের সমস্ত যায়গায় যদি আওয়ামীলীগ নির্বাচনে জয়লাভ করতে না পারে তবে নওগাঁ ইউনিয়নে বিরলহালী ছেন্টরে জয়লাভ করবে। ১৯৭১ সাল থেকে এই নওগাঁ ইউনিয়নে বিরল সন্টরে কোন দিন পরাজয় বরন করেনি আওয়ামীলীগ এই জন্য সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ জানে এই তিনটি গ্রাম মুজিব নগর নামে পরিচিত লাভ করে। কিন্তু মুজিব নগরের কোন পরির্বতন ঘটেনি এই মুজিব নগরে ১০০থেকে প্রায় ১৫০টি হাঁসের হ্যাচারী আছে যাহা গরে পত্যেক দিন ৭০ হাজার থেকে ৮০ হাজার হাসেঁর বাচ্ছা বের হয় যাহা গরে পত্যেক দিন বিক্রায় করা হয় প্রায় ১৬০০০০০ লক্ষ টাকা,আর এখন লক ডাউনে পত্যেকটা হ্যাচারীর মালিকের লছ হচ্ছে গরে প্রায় ১৬০০০০০ টাকা। সরকারের ৭ দিনের লক ডাউনে মুজিব নগরে দরিদ্র অসহায় কুটির শিল্প ব্যবসিকরা লছ খাচ্ছ গরে প্রায় ১১৬০০০০০ এক কোটি ষোল লক্ষ টাকা আর এসব টাকা হ্যাচারীর মালিকেরা বিভিন্ন এন,জি,ও থেকে সুদের উপর লোন করে নেওয়া হয়েছে। এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের একটাই দাবি আপনার বাবার আদর্শে গড়া মুজিব নগরকে মৃত্যুর মুখের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আপনার দায়িত্বে। দেশের সমস্ত যায়গায় রাস্তা ঘাট স্কুল কলেজ ডিজিটাল আকারে করে দেওয়া হয়েছে কিন্ত মুজিব নগরের কোন রাস্তা ঘাট স্কুল কলেজ করে দেওয়া হয়নি,মাননীয় সংসদ সদস্য আমজাদ সাহেব কথা দিয়ে ছিলেন মুজিব নগরের রাস্তা ঘাট স্কুল কলজ করবেন সেও গেল ফিরেও দেখল না মুজিব নগরের দিকে। আবার আসলেন মাননীয় সংসদ সদস্য ডঃ আজিজ সাহেব তিনিও চলে যাচ্ছেন কিন্তু মুজিব নগরের দিকে ফিরেও তাকাচ্ছে না,কিন্ত বঙ্গবন্ধুর কন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এসব এম,পি মুন্ত্রীদের উপর কোটি,কোটি কাটা বাজেট করে দিচ্ছে দেশের উন্নয়নের জন্য কিন্তু মুজিব নগরের এখনো পর্যন্ত কোন উন্নয়ন হয়নি আসলে কোন দিন উন্নয়ন হবে কি না আমরা তাও জানি না। তাই মুজিব নগরে মানুষকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ও ব্যবসা প্রতিষ্টান রাস্তা ঘাট সহ লক্ষ লক্ষ এবং কোটি কোটি টাকা লছ হয়ে গিয়াছে এই সমস্ত বিষয় যেন তদন্ত করে দেখার জন্য আমাদের মানীয় সংসদ সদস্য সহ আইন প্রশাসনের কর্ম কর্তাব্যক্তিদের দৃষ্টিকোণ করছি।
Please follow and like us: