বিশেষ প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী লিমিটেড (বিটিসিএল) এর কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা আর উদাসীনতার ফলে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিল বিরম্বনায় পড়েছেন বিটিসিএল’র গ্রাহক।
তাড়াশ টেলিফোন অফিস সূত্রে জানা যায় গেছে , শুরুর দিকে উপজেলায় সরকারি বেসরকারি মিলে ১শ ৭৫ টি সংযোগ ছিল। কিন্ত সংশ্লিষ্ঠ কর্মর্কতা ও কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা আর উদাসিনতার ফলে বর্তমানে সংযোগ মাত্র ৪০ টিতে নেমে এসেছে। যেখানে সরকারি ৩৮ আর বেসরকারি মাত্র ২টি। বর্তমানে চালু সংযোগ গুলোর গ্রাহকারাও কাংখিত সেবা থেকে বঞ্চিত। গ্রাহকদের অভিযোগ মাসের বেশির ভাগ সময় সংযোগ বন্ধ থাকে। সংযোগ চালু থাকলেও টেকনিক্যাল সমস্যার কারনে কথা বলতে সমস্যা হয়। গ্রাহকরা অভিযোগের সুরে আরো বলেন, তাড়াশ টেলিফোন অফিস মাসের সিংহভাগ সময় বন্ধ থাকে। কোন সমস্যা নিয়ে অফিসে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাওয়া যায়না। তারাও কোন গ্রাহকের সমস্যার খোঁজ নেয় না। তাছাড়া তাদের মধ্যে অভেধ কামাইয়ের ধান্দা পরিলক্ষিত হয়। অফিসটি ফাঁকি ও দুর্নীতির ডিপোতে পরিণত হয়েছে।
নিয়োমিত বিলের কাগজ পাওয়া যায়না। ৪ থেকে ৫ মাস পর পর বিলের কাগজ সরবরাহ করা হয়। ফলে সংশ্লিষ্ঠ গ্রাহকদের বিল পরিশোধে চরম ভোগান্তিতে পরতে হয়। বিশেষ করে সরকারি অফিস গুলো নিয়োমিত বিলের কাগজ না পাওয়ায় বিল পরিশোধে তাদের অফিসে সমস্যার অন্ত থাকেনা। একমাসের বিলের কাগজ আরেক মাসে সরবরাহের কারনে অনেক সময় সংশ্লিষ্ঠ অফিসের কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিজ থেকে বিল পরিশোধ করতে হয়।
নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক এক কর্মকর্তা এপ্রতিবেদককে জানান, গত অর্থ বছরে সময়মত বিলের কাগজ না দেওয়ায় কয়েক মাসের বিল নিজ থেকে পরিশোধ করতে হয়েছে। তিনি আরো জানান, এবছরেও ফেব্রয়ারী থেকে জুন মাস পযর্ন্ত ৫ মাসের বিলের কাগজ এখুনো পাইনি। যদি জুন মাসের মধ্যে বিলের কাগজ না পাওয়া যায় তাহলে অর্থ বছর শেষ হয়ে যাওয়ার ফলে এবারো নিজ থেকে ওই বিল পরিশোধ করতে হবে।ওই কর্মকর্তা আরো জানান,সিরাজগঞ্জ বিটিসিএল টেলিফোন রাজস্ব অফিস থেকে বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য একটি নোটিশ ফেব্রয়ারী মাসের ১৫ তারিখে ইসু করা হয়। নোটিশটি হাতে পেয়েছি জুন মাসের ৯ তারিখে। সিরাজগঞ্জ থেকে তাড়াশে ওই নোটিশ আসতে সময় লেগেছে ৪ মাস। এখুন বুঝুন এই অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারিরা কত দায়িত্ববান !
এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ টেলিফোন রাজস্ব অফিসেরর কনিষ্ট সহকারি বলেন, আমরা সময়মত বিল তৈরি করে ব্যবস্থাপক টেলিকম এর কাছে পাঠাই। টেলিকম অফিস থেকে বিতরণে বিলম্ব করে।সিরাজগঞ্জ টেলিকম অফিসের ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমরা বিল পেনড্রাইপে ঢাকায় পাঠাই। ঢাকা থেকে বিল আসতে দেরী হয়। আমাদের কোন গাফলতি নেই।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com