সুজানগর থেকে সংবাদদাতা
সুজানগর উপজেলা প্রকৌশলী কেটি কেটি টাকার দুর্ণীতি করেছেন টেন্ডারের মাধ্যমে। তিনি এতটাই সুচতুর দুর্ণীতিবাজ যা শুনলে বা জানলে অবাক হতে হয়।
উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার আবুল হাসেম সর্বশেষ যে টেন্ডারটি আহ্বান করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় একটি বাংলা ও একটি ইংরেজী পত্রিকায় দেওয়ার নিয়ম। কিন্তু এই দুর্ণীতিপরায়ন প্রকৌশলী কী করেছেন জানলে বা শুনলে অবাক হয়ে পড়বেন। নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় একটি বাংলা পত্রিকা ও একটি ইংরেজি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নিয়ম। তিনি যে বাংলা পত্রিকায় দিয়েছেন সেটি হলো ‘দৈনিক বাংলা’ (যা ১৯৯৬ সালে বন্ধ হয়ে গেছে।) ঐ পত্রিকার সাথে দি বাংলাদেশ টামস্, বিচিত্রাসহ আরো কয়েকটি পত্রিকা তৎকালীন সরকার বন্ধ করে দেয়। তাহলে তিনি কীভাবে এবং কার কাছে এই ভুয়াগীরী করেছেন।? এই তো গেল বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার কাহিনী।
এই ডিজিটাল যুগে সচেতন সাংবাকিদের চোখকে ফাঁকি দিয়ে মহা দুর্ণীতিবাজ প্রকৌশলী ইংরেজি পত্রিকায় বিজ্ঞাপণ দিয়েছেন; যা মিডিয়াভূক্ত তো নয়; সেটা জাতীয় পত্রিকাও না। সেটি হলো দি মর্ণিংটাচ। পাবনা থেকে অনিয়মিতভাবে প্রকাশিত হয়। অত্যন্ত সুচতুর প্রকৌশলী হাসেম সাহেব ফরওয়ার্ডিং লেটারে লেখেছেন দি মর্ণিংচাচ্, ঢাকা। কিন্তু নামের বেলায় ঠিক রেখেছেন ঠিকই। ঠিকানা দিয়েছেন ঢাকা। তাহা হইলে শতভাগ তিনি প্রমাণ করেছেন বিজ্ঞপ্তি দেয়ার ক্ষেত্রে তিনি কত বড় জালিয়াতি, ধাপ্পাবাজি, দুর্ণীতির আশ্রয় নিয়েছেন। এ কোন জালিয়াতি?
জনৈক ঠিকাদার জানিয়েছেন, টেন্ডার বিজ্ঞপ্তিটির ওপেন ডেট ০৯/৬/২০২১ (বুধবার।) অত্যন্ত গোপনে এই তারিখটি পার করার জন্য প্রকৌশলী সাহেব সাবধানের সাথে পা বাড়াচ্ছেন বলে একাধিক ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন।
এখন প্রশ্ন হলো-তাহা হইলে ঐ টেন্ডাটিতে কত কোটি বা কত লক্ষ টাকার কাজ এবং কে কে এর সাথে জড়িত।
এর সাথে বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকার সাথে সংশ্লিষ্ট কথিত সাংবাদিকসহ প্রকৌশলীর সাথে জড়িতদের বের করার দায়িত্ব কাদের?
এ ব্যাপারে জানার জন্য অসংখ্যবার মোবাইলে যোগাযোগ করেও প্রকৗশলী হাশেম সাহেব মোবাইল রিসিভ করেননি।
সুজানগর থেকে
০৬/৫/২০২১
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com