গোলাম মোস্তফা : দৈনিক কলম সৈনিকে “কচুরিপানা নিয়ে বিপাকে তাড়াশের কৃষক ও মৎস্যজীবীরা” শীরনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। বিষয়টির যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তা অপসারণের কাজ শুরু করা হয়েছে। (১৪) নভেম্বর বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাউল করিম কচুরিপানা কেটে এ কাজের উদ্বোধন করেন।
ইউএনও মেজবাউল করিম দৈনিক কলম সৈনিককে বলেন, ‘উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল এলাকা, নওগাঁ ইউনিয়নের পংরৌহালী এলাকা, মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া এলাকাসহ বেশকিছু জায়গার কৃষক ও মৎস্যজীবীরা কচুরিপানা নিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এসব এলাকায় কচুরিপানা জন্ম নিয়ে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। কচুরিপানার প্রতিবন্ধকতায় মানুষ বাড়ি থেকে সহজে বেড় হতে পারছেন না।’
এ নিয়ে দৈনিক কলম সৈনিক ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকাতে সংবাদ প্রকাশ হয়। তাছাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকেও কচুরিপানা অপসারণের জন্য আবেদন আসতে থাকে। তিনি আরও বলেন, কুন্দইল এলাকা থেকে কচুরিপানা অপসারণের কাজ শুরু করা হয়েছে। প্রতিদিন ২০ জন শ্রমিক নৌকা নিয়ে কচুরিপানা সরানোর কাজ করবেন। পর্যায়ক্রমে সব এলাকাতেই তা করা হবে। #
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com