চলনবিল বার্তা ডেস্ক : তিন শর্তে বাস-মিনিবাসের আসন পূর্ণ করে যাত্রী পরিবহনের অনুমতি দিয়েছে সরকার। দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়া যাবে না, যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক এবং করোনাকালের আগের ভাড়ায় ফিরে যেতে হবে ।এসব শর্ত পূরণ এবং আসন পূর্ণ করে যাত্রী পরিবহনের সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে ১ সেপ্টেম্বর থেকে। কিন্তু বর্ধিত ভাড়া বাতিল কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।
গত শনিবার নিজ বাসভবন থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঢাকা জোনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বাস-মিনিবাস চলাচলের এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানান। আগের ভাড়ায় ফিরে যাওয়া নিয়ে এরই মধ্যে যে সংশয় তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘এটা ঠিক, অনেক সময় মালিকরা মানতে চান না, আমরা মনিটর করব।’ করোনা পরিস্থিতির কারণে যেসব শর্ত দিয়ে বাস-মিনিবাসে ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল, মালিকরা তা মানেননি। এবার বর্ধিত ভাড়া বাতিলের বিষয়টি পরিবহন মালিকরা কার্যকর করবেন কি না, এ প্রশ্নও রয়েছে। এ নিয়ে আশঙ্কা ব্যক্ত করে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর আগেই বাস মালিকরা বর্ধিত ভাড়া নিচ্ছিলেন। তবু আমরা চেয়েছি আগে বর্ধিত ৬০ শতাংশ প্রত্যাহার করা হোক।’ যদিও বাস মালিকরা বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহার চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। রাজধানীতে বিভিন্ন বা কোম্পানি ভিন্ন ভিন্ন হারে ভাড়া আদায় করে। রাজধানীতে চলাচলকারী মিনিবাসে ভাড়ার কোনো তালিকা রাখা হয় না। বড় কিছু বাসে ভাড়ার তালিকা দেখা গেলেও বেশির ভাগ বাসেই তালিকা নেই।
করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২৬ মার্চ সরকার গণপরিবহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে। পরে ১ জুন থেকে শর্ত সাপেক্ষে গণপরিবহন চালু করা হয়। অর্ধেক আসন ফাঁকাসহ নানা শর্তে সীমিত আকারে গণপরিবহন চালু করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে, যাত্রী ওঠার আগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিতে এবং বাসের প্রতি ট্রিপে যাত্রী নামিয়ে জীবাণুনাশক ব্যবহার করে বাস জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ওই সব শর্ত মানার প্রতিশ্রুতিতে সরকার ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়িয়ে দেয়, যদিও ৮০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর দাবি ছিল মালিকদের। সূত্র: কালের কণ্ঠ।
Weekly Chalonbeel Barta chalonbeelbarta.com