লুৎফর রহমান : তাড়াশ পৌরসভার সৌন্দর্যবর্ধন বাতি জলে দিন রাত ২৪ ঘন্টা। পৌর প্রশাসন নিরব।কবির ভাষায় বলতে হয় জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো…..।
তাড়াশ পৌরসভা সুত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ও আবাসিক এলাকায় সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য বিভিন্ন রংঙ্গের লাইটিং স্থাপন করেন।উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ও আবাসিক এলাকায় ২২টি ষ্ট্যাম্পে মোট ৮৮টি বাতি রয়েছে। ওই ৮৮টি বাতি দিন রাত ২৪ ঘন্টা বিরতিহীনভাবে জ্বললেও বাতিগুলো বন্ধ করার মত কেউ নেই।
নিয়মাযায়ী সন্ধার পর বাতিগুলো চালু করে ভোর রাতে বন্ধের কথা থাকলেও তা কখনো করা হয় না। যার ফলে বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে প্রতিনিয়তই। পৌরসভা থেকে বাতিগুলোর দেখভাল করার কর্মচারী নিয়োগ করা থাকলেও কর্মচারীরা তাদের সে দায়িত্ব পালন না করায় বাতিগুলোকে জ্বলতে হয় ২৪ ঘন্টাই। পৌরবাসীদের অভিযোগ, তাড়াশ পৌর সভার কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই পৌরসচিব আশরাফুল ইসলাম ভুইয়া ক্ষমতার দাপটে নিজ ইচ্ছেমত অফিস করেন। যার ফলে তাড়াশবাসী তাদের কাংখিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, সচিবের অফিস কক্ষের নেমপ্লেটে ‘ক’ শ্রেণী লেখা। তাড়াশ পৌরবাসীর প্রশ্ন উনি ‘ক’ শ্রেণীর পৌরসভার সচিব হয়ে তদবির করে কেন ‘গ’ শ্রেণীর পৌর সভায় বছরের পর বছর থাকেন। গত ১১ আগষ্ট মঙ্গলবার দুপুর ১২ঃ১৯ মিনিটে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ও আবাসিক এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সৌন্দর্যবর্ধন বাতিগুলো জ্বলছে তার আপন গতিতে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আবাসিক এলাকা বাসিন্দা জানান, ওই সৌন্দর্য বর্ধন বাতিগুলো স্থাপনের পর থেকে বেশির ভাগ সময় দিন রাত ২৪ ঘন্টা জ্বলে থাকে। এ বিষয়ে তাড়াশ পৌরসভার সচিব আশরাফুল ইসলাম ভুইয়ার সাথে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এছাড়া সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রয়োজনে তাকে যোগাযোগ করলে অধিকাংশ সময় তিনি মোবাইল রিসিভ করেন না।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com