সলঙ্গা প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ সলঙ্গায় পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় নির্মম নির্যাতনের স্বীকার হোন অসহায় বুলবুলি বেওয়া।
মামলা সূত্রে জানা যায়,সলঙ্গা থানার ৩নং ধুবিল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আমশড়া গ্রামের মৃত আসাব আলীর স্ত্রী বুলবুলি বেওয়ার বাড়িতে আত্নীয়তার সুবাদে বেশ কয়েক বছর আসা যাওয়া করায়। বিধুবা নির্যাতিতা গরীব আসহায় বুলবুলির সরলতার সুযোগে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তারিখে ৬০,০০০/-(ষাট হাজার) টাকা ছাবেদ তার ব্যবসায়ী কাজের জন্য ধার হিসেবে নেয়। নির্যাতিতা আসহায় গরীর বিধবা বুলবুলি বেওয়া আরো জানান, একই আমশড়া গ্রামের মৃত ছলিম সরকারের ছেলে ছাবেদ আলী (৫০) আত্নীয়তার সুবাদে আমার বাড়িতে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আসা যাওয়া করতো আমার সরলতায় সুযোগে সে ৬০,০০০ হাজার টাকা এক মাসের ভিতর ফেরত দিবে মর্মে ধার নিতে চাইলে তাকে আমি সরল মনে কিছু লোকজনের উপস্থিতিতে আমার ৬০,০০০ হাজার টাকা একমাসের ভিতর পরিষোধ সপক্ষে ধার দেয়। কিন্তু সময় উর্ত্তীন হলে আমি ছাবেদের কাছে আমার পাওনা টাকা চাইতে গেলে ছাবেদ আজ দেবে কাল দেবে বলে বিভিন্ন প্রকার তালবাহানা করে। আমি গত ১৯-০৬-২০ইং তারিখে সকাল অনুমান ১১টার সময় আমি ছাবেদের বাড়িতে আমার পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে ছাবেদসহ তার স্ত্রী কল্পনা খাতুন( ৪০) হাজেরা বেওয়া (৫৫) শামীম হোসেন (২৫) রুমা খাতুন (২২) পরস্পর যোগসাজসে পরিকল্পিত ভাবে আমাকে অকর্থ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমি গালিগালাজ করতে নিষেধ করায় তারা আমার উপর অতর্কিত ভাবে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলাফুলা জখম করে। তখন আমার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগে আসলে তারা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনা স্থল ত্যাগ করে দ্রুত চলে যায়। ঐ দিনের পর থেকে ছাবেদসহ তার দলবল আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি সহ প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করছে। আমি গ্রামের ময় মাতবরদের কাছে সরনাপূর্ণ হলে তারা বলেন আমরা ওর বিচার করতে পারবোনা তুমি আইনগত ব্যবস্থা নেও। তাই আমি আত্নীয় স্বজনের সহিদ পরামর্শ করে আইনের আছরাই নিয়েছি আমি সুস্থবিচার চাই।
ফারুক আহমেদ
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com