গুরুদাসপুর প্রতিনিধি : নাটোরের গুরুদাসপুরে গোলাগুলি, হামলা, ভাংচুরের অভিযোগে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন উপজেলার ধারাবারিষা ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ এলাকাবাসী।
শনিবার সকাল ১০টায় ওই ইউনিয়ন পরিষদের সামনে সিধুলী বাজারে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মতিন, ইউপি সদস্য এমএ মুনসুর, আব্দুল আলীম প্রমূখ। বক্তারা বলেন, ২৬ মে ঈদের পরদিন ঝাউপাড়া বিন্যাবাড়ি বাজারে চেয়ারম্যান মতিনকে ডেকে ত্রাণ সামগ্রী নয়ছয়ের অবৈধ প্রস্তাব দেয় বজলু ও সায়েদ মেম্বার। চেয়ারম্যান তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তার ওপর হামলা চালায় ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি বজলু সরদার, তার পিতা ইসমাইল সরদার ও ইউপি মেম্বার সায়েদ আলী। এসময় চেয়ারম্যান ও তার সমর্থকদের জনসম্মুখে লাঞ্চিত করা হয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে বজলু তার ঘরবাড়ি ভেঙ্গে চেয়ারম্যানের আত্মীয়স্বজন ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
বক্তারা আরো বলেন, চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনের গাড়ি চালক মতিন মিয়া সাড়ে ৫ লাখ টাকা পেত বজলু গ্রুপের সায়েদ মেম্বারের কাছে। পরে তাকে একটি ভুয়া চেক দেয় যা ব্যাংকে ডিজঅনার হয়। এ নিয়ে সোনালী ব্যাংক গুরুদাসপুর শাখায় সায়েদ মেম্বারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির অভিযোগও আছে। এতে তাদের মধ্যে রেষারেষি চলছিল। সায়েদের অনৈতিক কর্মকান্ডে সহযোগিতা না করায় বজলু গ্রুপের সাথে হাত মিলিয়ে চেয়ারম্যান মতিনের ওপর ওইদিন পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে বজলু সরদার বলেন, বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে তাদের ওপরই হামলা, ফাঁকা গুলি বর্ষণ ও বাড়িঘর ভাংচুর করেছে মতিন চেয়ারম্যানের লোকেরা। এদিকে ২৫ জনসহ অজ্ঞাত ৬০ জনের বিরুদ্ধে গোলাগুলি, হামলা ও ভাংচুরের মামলা করায় এলাকার মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। অজ্ঞাত আসামী করায় পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এলাকার অসংখ্য নিরীহ মানুষ। আওয়ামীলীগের ওই দুইগ্রুপের মধ্যে বিরাজমান ঘটনায় এলাকায় এখনও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
গুরুদাসপুরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
গুরুদাসপুর প্রতিনিধি ঃ নাটোরের গুরুদাসপুরে গোলাগুলি, হামলা, ভাংচুরের অভিযোগে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন উপজেলার ধারাবারিষা ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ এলাকাবাসী।
শনিবার সকাল ১০টায় ওই ইউনিয়ন পরিষদের সামনে সিধুলী বাজারে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মতিন, ইউপি সদস্য এমএ মুনসুর, আব্দুল আলীম প্রমূখ। বক্তারা বলেন, ২৬ মে ঈদের পরদিন ঝাউপাড়া বিন্যাবাড়ি বাজারে চেয়ারম্যান মতিনকে ডেকে ত্রাণ সামগ্রী নয়ছয়ের অবৈধ প্রস্তাব দেয় বজলু ও সায়েদ মেম্বার। চেয়ারম্যান তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তার ওপর হামলা চালায় ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি বজলু সরদার, তার পিতা ইসমাইল সরদার ও ইউপি মেম্বার সায়েদ আলী। এসময় চেয়ারম্যান ও তার সমর্থকদের জনসম্মুখে লাঞ্চিত করা হয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে বজলু তার ঘরবাড়ি ভেঙ্গে চেয়ারম্যানের আত্মীয়স্বজন ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
বক্তারা আরো বলেন, চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনের গাড়ি চালক মতিন মিয়া সাড়ে ৫ লাখ টাকা পেত বজলু গ্রুপের সায়েদ মেম্বারের কাছে। পরে তাকে একটি ভুয়া চেক দেয় যা ব্যাংকে ডিজঅনার হয়। এ নিয়ে সোনালী ব্যাংক গুরুদাসপুর শাখায় সায়েদ মেম্বারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির অভিযোগও আছে। এতে তাদের মধ্যে রেষারেষি চলছিল। সায়েদের অনৈতিক কর্মকান্ডে সহযোগিতা না করায় বজলু গ্রুপের সাথে হাত মিলিয়ে চেয়ারম্যান মতিনের ওপর ওইদিন পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে বজলু সরদার বলেন, বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে তাদের ওপরই হামলা, ফাঁকা গুলি বর্ষণ ও বাড়িঘর ভাংচুর করেছে মতিন চেয়ারম্যানের লোকেরা। এদিকে ২৫ জনসহ অজ্ঞাত ৬০ জনের বিরুদ্ধে গোলাগুলি, হামলা ও ভাংচুরের মামলা করায় এলাকার মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। অজ্ঞাত আসামী করায় পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এলাকার অসংখ্য নিরীহ মানুষ। আওয়ামীলীগের ওই দুইগ্রুপের মধ্যে বিরাজমান ঘটনায় এলাকায় এখনও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com