চাটমোহর প্রতিনিধি: সরকারের দীর্ঘ মেয়াদি ডেল্টা প্লান – ২১০০ এর মধ্যে ঐতিহাসিক চলনবিলকে অন্তর্ভূক্তির দাবি জানানো হয়েছে। গত মঙ্গলবার চাটমোহর উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ মাষ্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী কর্মশালার দলীয় অনুশীলনের সুপারিশমালা উপস্থাপনকালে এই দাবি জানানো হয়। কর্মশালায় চাটমোহর ইউএনও স্বাগত ভাষন দেন।
উল্লেখ্য, মূলত দেশের পানি সম্পদ পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ১০০ বছর মেয়াদী ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সরকার গত ২০১৮ সালে। কর্মশালায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপস্থিত জনৈক বক্তা বলেন, পদ্মাসেতুর মতো ডেল্টা প্লানও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের প্রকল্প। এটা বাস্তবায়িত হলে দেশ আরো অনেক এগিয়ে যাবে। কর্মশালায় নেদারল্যান্ডস এর ২জন গবেষক এবং চলনবিলের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত নানা শ্রেণি পেশারসহ প্রায় ১শ প্রতিনিধি অংশ নেন। তারা বিশেষ করে ডেল্টা প্লানের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের প্রকল্পের আওতায় চলনবিল পুনরুদ্ধার এবং পুনর্জীবন প্রকল্প সম্পর্কে মতামত, সুপারিশ ও প্রস্তাব রাখেন। এতে ৫টি দলে ভাগ হয়ে তারা কাজ করেন। গ্রুপ আলোচনার সুপারিশ উপস্থাপনকালে চলনবিল রক্ষা ও বড়াল রক্ষা আন্দোলনের শীর্ষ নেতা মিজানুর রহমান ডেল্টা প্লানের ৬টি হটস্পটের বাইরে ৭নং হটস্পট হিসেবে চলনবিলকে অন্তর্ভূক্ত করার জোড় দাবী জানান। উক্ত প্লানের প্রধান এলাকা হল উপকুল, হাওর, বরেন্দ্র, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল,পার্বত্য এলাকা ইত্যাদি। অংশগ্রহণকারিগণ বলেন, উপমহাদেশের সুবিশাল জলের আধার বৃহত্তম বিল – চলনবিল এই প্লানে না সন্নিবেশ করলে তা অসমাপ্ত থেকে যাবে। ডেল্টা প্লানের মোট আর্থিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৩৭.৫০ ডলার। পরিকল্পনা মেয়াদে উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে ৮০টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com