ভাঙ্গুড়া(পাবনা)প্রতিনিধি:
বৈধ কাগজপত্র থাকা স্বত্বেও মব সন্ত্রাস করে দোকান ঘর ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে বেশ কিছু সাংবাদিক সম্মেলন ও প্রতিবাদের ঘটনা ঘটেছে। এমন ধরনের ঘটনা পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলীপাড়া মাদ্রাসা মোড়ে ঘটেছে। এই ঘটনায় সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) বেলা ২ টায় ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার পক্ষে রাজিব আহমেদ ও মোঃ আব্দুল মজিদ মানিক।
সাংবাদিক সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও যেমন জমির দলিল,জেলা পরিষদ কৃর্তক লিজের কাগজ ও ভাঙ্গুড়া মুক্তিযোদ্ধাদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকসেদুর রহমানেকে বন্দোবস্ত দেওয়া জমি মৌখিক ভাবে দেখাশোনার জায়গার বৈধ কাগজ থাকার পরও গ্রামের কতিপয় রুবেল,রিপন,বক্কার,সাদ্দাম,নাঈম নামের কয়েকজন গ্রামবাসির কিছু লোকজনকে ভুল বুঝিয়ে তা অমান্য করে কোনো কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই না করেই জনতা বা বিশেষ মহল আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে দোকান ভাঙচুর করেছে এবং তা দখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।ভূক্তভোগী পরিবারে অভিযোগ রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা স্থানীয় প্রভাবশালী বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নির্দেশে ‘মব’ বা জনতাকে ব্যবহার করে দোকানপাট ভাংচুর করা হচ্ছে।তাদের দাবি,সব মব-সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি,আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া বন্ধ করা,জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মিজানুর রহমান জানান, পাটুলীপাড়ার ওই বিরোধপূর্ণ জায়গাটি জেলা পরিষদের। তবে দুটি পক্ষ মুখোমুখি হওয়ায় আইনশৃংখলা পরিস্থতির আশঙ্কা দেখা দেয়। ফলে পুলিশ ফোর্সসহ তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। পরিস্থিতি শান্ত হলে তিনি ফিরে আসেন।তিনি আরো বলেন, সম্পত্তির দাবি সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার কর্তৃত্ব জেলা পরিষদের রয়েছে।এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাকিউল আজম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,আমি ভাঙচুর ঘটনাটি শোনার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি।

চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com