গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি.
নাটোরের গুরুদাসপুরে চায়ের দাম বৃদ্ধির এক সপ্তাহ হয়নি। ঘোষনা দেয়ার পাঁচদিনের মাথায় কমানো হলো চায়ের দাম।
জানা যায়, গত ১১ এপ্রিল শনিবার মাইকে ঘোষণা দিয়ে প্রতি কাপ রং চা ৫ টাকা থেকে ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। হঠাৎ দাম বাড়ার কারণে বিপাকে পড়েন শ্রমজীবি খেটে খাওয়া চা পিয়াসু মানুষ। ক্ষুব্ধ হয়ে তারা প্রয়োজনের তুলনায় কম চা খাচ্ছেন। তাদের মতে, ৫ টাকার চা ৮টাকা হয় কি করে? অনেক চায়ের দোকানে ভিড় কমে গেছে।
পাশাপাশি প্রতি কাপ ব্লাক কফি ১০ টাকা, দুধ চা ২০ টাকা ও দুধ কফি ২৫ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়। সেই সাথে বাড়ানো হয় খিলি পানের দামও। এই নিয়ে এলাকায় সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।
গত শুক্রবার চা দোকানিরা একটি সভায় উপস্থিত হয়ে ওই দাম বাড়ায়। চা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতিও গঠণ করে তারা। সমিতির পক্ষে দাবি করা হয়- জ্বালানী ও চা তৈরির উপাদানের উর্দ্ধমূল্যের কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। তবে অবস্থা বেগতিক দেখে বুধবার ১৫ এপ্রিল থেকে সিদ্ধান্ত বদল করেছেন তারা।
চাঁচকৈড় বাজারে চা দোকানি সুকুমার ঘোষ, মুন্টু মিয়া, রাজু আহমেদসহ অনেকে বলেন- ‘পূর্বের ন্যায় প্রতি কাপ রং চা ৫ টাকা করে বিক্রি করছি। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও প্রচার করা হয়েছে।’
কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গুরুদাসপুর পৌর সদরের প্রতি চা স্টলে ৭ টাকা থেকে ৮ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এতে চা দোকানিদের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। তবে খিলি পান বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম বলেন- ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ভঙ্গ করলে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। #
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com