নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা ১নং তালম ইউনিয়নের বড়ইচড়া ভেংড়ী গ্রামের মৃত তোফায়েল হোসেনের ছেলে আব্দুল লতিফের বাড়িতে ৮ লক্ষ টাকা বাঁকি থাকায় ইসলামী ব্যাংক কর্মকর্তা ৪/৫ জন মিলে বসত বাড়ীর আসবাবপত্র ও টাইলস ভাংচুর ও প্রায় ১কোটি ৩০ লক্ষ টাকার যায়গা নিলামের অভিযোগ উঠছে। থানায় অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, মোঃ বেলায়েত হোসেন (৫০) (ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইসলামী ব্যাংক, শেরপুর শাখা, বগুড়া) মোঃ আমিনুল ইসলাম (৪২) ( ইনচার্জ, ইসলামী ব্যাংক, শেরপুর শাখা, বগুড়া) সহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন, ২০১৬ ও ২০১৮ সালে ইসলামী ব্যাংক, শেরপুর শাখা, বগুড়া হইতে দুই বারে ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা গরুর খামার ও গোডাউন এর উপর বসতবাড়ীর জিম্মায় লোন গ্রহণ করে এবং প্রতিবছর ১,৭০,০০০/- টাকা লাভাংশ ব্যাংকে জন্য দেয়। ২০২৩ সাল পর্যন্ত নিয়মিত প্রতিবছর ব্যাংকের লাভাংশ জামা দেয়। কিন্তু ২০২৩ সালে জমা দেওয়া ডিলের ২,০০,০০০/- টাকা ফেরত না দিয়ে বলে বাংকের অবস্থ এখন ভাল না আমাকে লোনের ৮,০০,০০০/- টাকা পরিশোধ করিতে বলে। তারপর তার চেক সংক্রান্ত বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি চলমান রয়েছে। এমতাবস্থার গরুর খামার, গোডাউন ও বসতবাড়ী বিক্রয়ের জন্য বিবাদীগণ সাইনবোর্ড স্থাপন করেন। উক্ত বিষয়ে বাধা প্রদান করিলে বিবাদীগণ আমাকে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন। গত ইং ২১/১০/২০২৫ তারিখ উক্ত বিবাদীগণ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন সহ আব্দুল লতিফের বসতবাড়ীর সামনে এসে তাকে ডাক দিয়ে বাসায় প্রবেশ করে বাসার টাইলস ও বিভিন্ন আসবারপত্র ভেঙ্গে ফেলে ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে এবং বলে যে, এক সপ্তাহের উক্ত লোনের টাকা পরিশোধ না করিলে বাসাবাড়ি, গোডাউন ছেড়ে দিতে হবে বলে। তাহাদের টাকা পরিশোধের কথা বলিলেও বিবাদীগণ আব্দুল লতিফকে প্রাণনাশের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করিয়া চলিয়া যায়। এ সম্পর্কে ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইসলামী ব্যাংক, শেরপুর শাখা,মো বেলায়েত হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে বলেন, আব্দুল লতিফ কে বার বার সময় দেওয়া হলেও সে টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। আর সে কখনো পারবেও না। তাই আমরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আদালতে মামলা থাকার পরেও এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কেন জিজ্ঞেস করলে বলেন। আমরা আর সময় দিতে পারবো না বলে, ফোন কেটে দেন।
এলাবাসী মোঃ গোলাম হোসেন (৪২), মোঃ আব্দুল মালেক (৪৫) বলেন, ব্যাংকের কর্মকর্তাদের এমন আচারন আমরা প্রথম দেখলাম, সে তো বার বার বলতেছে একমাসের মধ্যে ধান কাটা পরবে। ধান কাটা শেষ হলেই টাকা পরিশোধ করে দিবো। কিন্তু তার পরেও এমন আচারন করা শিক্ষিত মানুষ হয়ে করাটা উচিৎ হয় নাই। একজন মানুষ লোন নিয়ে ঠিক মত টাকাও পরিশোধ করেছে। হয়তো দু একটা কিস্তি মিস হয়েছে। তাই বলে সামান্য টাকার জন্য কোটি টাকার যায়গা নিলামে তুলবে। এ কেমন আচারন ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের। এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয়ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

|
|
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com