তাড়াশ- (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অপহরণকারী সন্দেহে ২ যুবক কে গ্রেফতার করেছেন তাড়াশ থানা পুলিশ। স্থানীয় জনতা তাদের কে আটক করে পুলিশ কে খবর দিলে তারা গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে তাদের কে পুলিশ কোর্টে চালান দেন সন্দেহভাজন হিসেবে। গত ২৩ আক্টোবর রাতে তাড়াশ উপজেলার সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে আটককারীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, পূর্বশত্রæতার জেরধরে মব সৃষ্টি করে তাদের কে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সরাপপুর গ্রামের মো: আব্দুর রহমানের ছেলে মো: শাহিন সরকার (২৪) ও বোয়ালিয়া গ্রামের মো: আক্তার হোসেনের ছেলে মো: মারুফ খান জয় (২৬) রাত আনুমানিক ১২ দিকে বোয়ালিয়া বাজারে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় গ্রামবাসী অপহরণকারী হিসেবে তাদের আটক করে । পরে পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশ তাদের কে গ্রেফতার করে। আজ (২৪ আক্টোবর) বিকেলে তাদের কে সন্দেহভাজন দেখিয়ে সিরাজগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
এ প্রসঙ্গে গ্রেফতারকৃত মো: শাহিন সরকারের বাবা মো: আব্দুর রহমানের অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলে কোনো অপরাধী নয়। সে তার বন্ধুর সাথে রাতে বাজারে বেড়াতে গেলে এলাকার প্রভাবশালী একটি মহল মব সৃষ্টি করে তাদের কে আটক করে বেদম মারধর করে। পুলিশ এসে তাদের কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ বিষয়ে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমরা ঘটনার ন্যায় বিচার চাই।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত রুহুল আমিন বলেন, তার এ অভিযোগ সত্য নয়। মূলত: আমার ছেলে মাহফুজ আলম কে অভিযুক্ত ওই দুই যুবক সহ একটি অপহরণকারী চক্র ঢাকায় নিয়ে গিয়ে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে কৌশলে সেখান থেকে মাহফুজ আলম পালিয়ে আসে । তাদের কে এলাকায় দেখে সবাই মিলে আটক করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: বলেন, এলাকাসী দুজন কে আটক করে পুলিশ কে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে তাদের কে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আজ তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠায়। মামলার বাদী না থাকায় তাদের কে সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে পাঠানো হয়।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অপহরণকারী সন্দেহে ২ যুবক কে গ্রেফতার করেছেন তাড়াশ থানা পুলিশ। স্থানীয় জনতা তাদের কে আটক করে পুলিশ কে খবর দিলে তারা গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে তাদের কে পুলিশ কোর্টে চালান দেন সন্দেহভাজন হিসেবে। গত ২৩ আক্টোবর রাতে তাড়াশ উপজেলার সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে আটককারীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, পূর্বশত্রæতার জেরধরে মব সৃষ্টি করে তাদের কে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সরাপপুর গ্রামের মো: আব্দুর রহমানের ছেলে মো: শাহিন সরকার (২৪) ও বোয়ালিয়া গ্রামের মো: আক্তার হোসেনের ছেলে মো: মারুফ খান জয় (২৬) রাত আনুমানিক ১২ দিকে বোয়ালিয়া বাজারে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় গ্রামবাসী অপহরণকারী হিসেবে তাদের আটক করে । পরে পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশ তাদের কে গ্রেফতার করে। আজ (২৪ আক্টোবর) বিকেলে তাদের কে সন্দেহভাজন দেখিয়ে সিরাজগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
এ প্রসঙ্গে গ্রেফতারকৃত মো: শাহিন সরকারের বাবা মো: আব্দুর রহমানের অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলে কোনো অপরাধী নয়। সে তার বন্ধুর সাথে রাতে বাজারে বেড়াতে গেলে এলাকার প্রভাবশালী একটি মহল মব সৃষ্টি করে তাদের কে আটক করে বেদম মারধর করে। পুলিশ এসে তাদের কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ বিষয়ে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমরা ঘটনার ন্যায় বিচার চাই।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত রুহুল আমিন বলেন, তার এ অভিযোগ সত্য নয়। মূলত: আমার ছেলে মাহফুজ আলম কে অভিযুক্ত ওই দুই যুবক সহ একটি অপহরণকারী চক্র ঢাকায় নিয়ে গিয়ে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে কৌশলে সেখান থেকে মাহফুজ আলম পালিয়ে আসে । তাদের কে এলাকায় দেখে সবাই মিলে আটক করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: বলেন, এলাকাসী দুজন কে আটক করে পুলিশ কে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে তাদের কে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আজ তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠায়। মামলার বাদী না থাকায় তাদের কে সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে পাঠানো হয়।
২৪.১০.২০২৫
|
|
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com