দেড় কিলোমিটার রাস্তা – অসহনীয় দূর্ভগে

Spread the love

ফারুক আহমেদঃ সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও উল্লাপাড়া উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি পরিচিত হওয়ায় সলঙ্গা আমশড়া জোরপুকুর বাজার থেকে খোদ্দর্শিমলা মর্জিদ তোলা   পর্যন্ত দীর্ঘ দেড় কিলোমিটার কাচা রাস্তা কাদা-পানিতে যেন একাকার হয়ে গেছে। গত সোমবার  রাত থেকে হঠাৎ করেই বৃষ্টিপাতে পানি জমে পুরো দেড় কিলোমিটার রাস্তায় বিশেষ করে আমশড়া জোরপুকুর বাজার থেকে খোর্দ্দশিমলা মুত সোরহাব আলী বাড়ি সংলগ্ন ব্রিজ পর্যন্ত জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে রাস্তা দিয়ে যান চলাচলে অসহনীয় দূর্ভোগে পরেছে এলাকার হাজার হাজার  মানুষ।

সংশ্লিষ্ঠ সুত্রে জানা গেছে, আমশড়া জোরপুকুর বাজার হতে খোর্দ্দশিমলা মসজিদ তলা বাজার- পর্যন্ত মোট দেড় কিলোমিটার রাস্তায় যানবাহন চলাচলে চাপ বাড়লে এবং এলাকার জনমানুষের জীবন-মান উন্নয়নে সলঙ্গা থানার আমশড়া জোরপুকুর বাজার থেকে দবিরগঞ্জ মহাসড়কের  সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে এলজিইডি থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।  রাস্তাটি রায়গঞ্জ,  তাড়াশ,  উল্লাপাড়া,  সলঙ্গার ও  দবিরগঞ্জ  হয়ে নাটোরের সিংড়ার ঢাকা-রাজশাহী মহা সড়কের সাথে মিলিত হয়েছে।  এলাকা বাসি জানান, রাস্তাটির পাকা করণ সম্পর্কে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিলেও আজও রাস্তাটির কপালে আজও উন্নতির ছোঁয়া লাগেনি। তারা আরও এই প্রতিনিধিকে জানান, ফেস্টিট শৈরাচারি হাসিনা সরকারের আমলে সলঙ্গা থানার ১নং রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান খোদ্দর্শিমলা গ্রামের কিছু সংখ্যাক লোক তাকে ভোট না দেওয়ার অজু হাতে রাস্তাটি পাকার করণের জন্য এলজিইডি বিভাগ পাশ করলেও চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম হিরো ইশ্বানিত হয়ে তিনি পাকা করণের পাশ করা রাস্তাটা  ইউনিয়নের অন্যদিকে কেটে নিয়ে কাজ করছেন বলে অভিযোগ অনেকের।  রাস্তাটি  দীর্ঘ দিন সংস্কার না করায় রাস্তার মধ্যে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তার কোথাও কোথাও টেউ টিনের মতো উচুঁ-নিচু হওয়ায় যানবাহন চলাচল করছে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে। হঠাৎ করে সোমবার  রাত থেকে বৃহপতিবার সকাল পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি হলে পুরো রাস্তায় বৃষ্টির পানি জমে কাদা-পানিতে একাকার হয়ে পরেছ। দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তায় যান বাহন চলাচল করছে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে। ইতি মধ্যে বেশ কয়েটি যাত্রীবাহী গাড়ী উল্টে দূর্ঘটনার কবলে পরেছে।

সাখাওত হোসেন মাস্টার  বলেন, আমশড়া জোরপুকুর বাজার থেকে খোর্দ্দশিমলা মসজিদ তলা বাজার পর্যন্ত যেতে পড়নের জামা-কাপড় কাদা-পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া রাস্তায় বেশ কয়েকটি অটোরিক্সা উল্টে পরে আছে। যাত্রী  আবুল কালাম, সাইদ হোসেনসহ আরো কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা কি ভিন্ন গ্রহের বাসিন্দা যে এতো দীর্ঘ বছর ধরে দূর্ভোগ পোহাতে হবে? কেউ কি নেই আমাদের এই দূর্ভোগ লাঘব করবে ? দেশে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায় হচ্ছে অথচ আমাদের এই রাস্তার কাজ হচ্ছে । তাই রাস্তার কাজ করতে অন্তর বর্তি সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসি।

Please follow and like us:
Pin Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD