তাড়াশে পল্লী বিদ্যুতের বিশাল ভুতরে বিল

Spread the love

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মো. আব্দুল হাকিম নামের এক মুদি দোকানির এক মাসের বিদ্যুত বিল এসেছে ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৩ টাকা। এ অস্বাভাবিক বিল পেয়ে ওই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দিশেহারা হয়ে পড়েন।উপজেলার তালম ইউনিয়নের তালম খাসপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
আব্দুল হামিদ ওই গ্রামের মো, নজিবর রহমানের ছেলে। তিনি কৃষি কাজের পাশাপাশি গ্রামের বাজারে একটি ছোট মুদি দোকানও পরিচালনা করেন।
মুদি দোকানি আব্দুল হাকিম জানান, গত রবিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির-১ এর আওতায় থাকা তাড়াশ জোনাল অফিস থেকে তার কাছে তার দোকানে ব্যবহৃত মে মাসের বিদ্যুত বিলের কপি হস্তান্তর করেন পল্লী বিদ্যুত বিভাগে কর্মরত একজন বিলিং সহকারী। বিল হাতে পেয়ে তিনি দেখতে পান তার নামে ছোট মুদি দোকানের বিদ্যুত বিল এসেছে ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৩ টাকা। অখচ তার মুদি দোকানে এ যাবত ৩০০- ৩৫০ টাকার বেশি বিল কখনও আসেনি।
তিনি আরো জানান, ছোট দোকানের এত বড় অংকের বিদ্যুত বিল দেখে প্রথমে আমি ঘাবরে যাই। পাশাপাশি ভয়ে ঘামতে থাকি। পরে একটু স্বাভাবিক হলে আমি সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত সমিতি- ১ এর আওতায় থাকা তাড়াশ জোনাল অফিসে ফোন করি এবং অস্বাভাবিক বিদ্যুত বিলের বিষয়টি জানতে চাই। এ সময় তাড়াশ জোনাল অফিসে লোকজন আমাকে অফিসে যেতে বলেন।
এ দিকে আব্দুল হাকিমের দোকানের আশের কেউ মুদি দোকানে ভুতরে বিদ্যুত বিলের কপিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেন। যা মর্হুতে ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজনরা নানা মন্তব্য করতে থাকেন। যা সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির-১ এর আওতায় থাকা তাড়াশ জোনাল অফিসের নজরে আসে। তখন সন্ধ্যা নাগাদ জোনাল অফিস থেকে বিলের কপি সংশোধন করে একজন লোক মুদি দোকানি আব্দুল হাকিমের কাছে পৌছে দেন।
এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত সমিতি- ১ এর আওতায় থাকা তাড়াশ জোনাল অফিসে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মো. শামসুজ্জামান বলেন, মুদি দোকানি গ্রাহক আব্দুল হাকিমকে দেয় বিলের কপিটিতে ‘প্রিন্ট মিসটেকে’র কারণে বিলের অংক বড় হয়ে গেছে। আমরা জানার পরপরই বিলটি সংশোধন করে দিয়েছি।

Please follow and like us:
Pin Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD