বিশেষ প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের তাড়াশে চকজয়কৃষœপুর এস এন দাখিল মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি মো. রবিউজ্জামান নান্নুর বিরুদ্ধে মাদ্রাসার নিয়োগ বানিজ্যের টাকা হাতিয়ে নিয়ে মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো. শাহাদত হোসেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চকজয়কৃষœপুর এস এন দাখিল মাদ্রাসায় নিরাপত্তাপ্রহরী ও আয়া পদে দুইজন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে নিয়োগের টাকা ম্যানিজিং কমিটির নির্দেশক্রমে মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্টের ব্যাংক হিসাবে জমা রাখেন। তারপর এক লাখ টাকা নিয়োগ খরচ, পঞ্চাশ টাকা মাদ্রাসার স্বীকৃতি নবায়ন খরচ, দুইজন কর্মচারীর বেতন-ভাতা চার লাখ টাকা মাদ্রাসার মাদ্রাসার সাধারণ হিসাব নাম্বারে রাখার সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। সে মোতাবেক সোনালী ব্যাংক তাড়াশ শাখায় টাকা জমা করতে গেলে মো. রবিউজ্জামান নান্নু একই সাথে ব্যাংকে যান। বিশেষ করে নিয়োগের হিসাবের টাকার মধ্যে থেকে দুই লাখ টাকা জোরপূর্বক নিয়ে নিজের নামে জমা ভাউচার লিখে মাদ্রাসার হিসাব নাম্বারে জমা দেন। তার পর থেকে তিনি দাবি করেন, “ এই টাকা আমার ভাগের। আমি মাদ্রাসার হিসাব নাম্বারে জমা দিয়েছি। এখন থেকে আমি মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য। ” এদিকে আজীবন দাতা সদস্য হওয়া নিয়ে মো. রবিউজ্জামান নান্নুর একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ বক্তব্যের মূল কথায় তিনি বলেন, চকজয়কৃষœপুর এস এন দাখিল মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য হওয়া থেকে আমাকে কেউ আটকাতে পারবেনা। বরং সুপারিনটেডেন্ট মো. শাহাদত হোসেন মাদ্রাসা ছাড়া করা হবে।
অপরদিকে লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মসগুল আজাদ। তিনি বলেন, ঘটনার যথাযথ তদন্ত করে আগের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবাউল করিম বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুইচিং মং মারমা বলেন, তখন আমি তাড়াশে ছিলাম না । তদন্ত প্রতিবেদন দেখে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com