গুরুদাসপুরেখসরুর সুদের ফাঁদ

Spread the love

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি.
গুরুদাসপুরের শিকারপুর বাজার এলাকা সুদ কারবারীদের সাম্রাজ্যে পরিনিত হয়েছে। অনেকেই রক্তচোষা এ ব্যবসার সাথে জড়িত । তারমধ্যে আব্দুল জলিলের ছেলে আমিরুল ইসলাম ওরফে খসরু অন্যতম। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তিনি সুদ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। যেখানে দারিদ্রতা সেখানেই তার উদারতা।
জানা যায়, মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে সুদের ফাঁদে ফেলে তাদের নিঃস্ব করছেন খসরু। তিনি শুধু সুদ কারবারীই নন। হামলা মামলা বাজও। সুদ গ্রহীতাদের কাছ থেকে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও বিভিন্ন ব্যাংকের ফাঁকা চেকে তাদের স্বাক্ষর নিয়ে সুদ ব্যবসা করেন তিনি। সময়মতো সুদের টাকা দিতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধে ইচ্ছেমতো টাকার অংক বসিয়ে বিভিন্ন কৌশলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়াই তার কাজ।
খসরুর সুদের ফাঁদে পড়া উপজেলার বিন্যাবাড়ী গ্রামের গোলাম কিবরিয়া ওরফে আওয়াল জানান, সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা দিয়ে ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছেন। ইতিমধ্যে সুদ নিয়েছেন ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এতেও ক্ষান্ত হননি তিনি। ফাঁকা চেকে সাড়ে ৯ লাখ টাকা বসিয়ে চেক ডিজআনারের মামলা করবে বলে আওয়ালেকে উকিল নোটিশ পাঠিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন। এবিষয়ে খসরুর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেনআওয়াল।
স্থানীয়রা জানায়, শুধু খসরুই নয় তার স্ত্রী, ভাই ও বেশ কয়েকজন সহযোগী এ ব্যবসার সাথে জড়িত। আইনি পদক্ষেপ না থাকায় খসরুর মতো লোকেরা এলাকায় দেদার সুদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ এও বলেছেন, খসরু তাদের বিপদের বন্ধু। সুদ নিলেও দুঃসময়ে তার কাছে থেকে টাকা পাওয়া যায়। খসরুর চাচাতো ভাই হান্নান প্রামানিক বলেন, সুদের ব্যবসা করেই খান্ত নন তিনি। জমিজমাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মিথ্যে মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করেন। খসরু মানুষের সাথে ফেতনা ফেসাদ করে। সে ভালো লোক নয়।এব্যাপারে খসরুর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।গুরুদাসপুরের ইউএনও মো. তমাল হোসেন ও থানার ওসি মো. আব্দুল মতিন জানান, তদন্ত করে খসরু দোষী হলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০১৭৪০৮৪৬৯৪০

Please follow and like us:
Pin Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD