আব্দুল কুদ্দুস তালুকদার
নিমগাছি, সিরাজগঞ্জ
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু টুঙ্গীপাড়ায় আছেন শুয়ে
ভক্তি জানায় বাঙ্গালীরা সমাধিতে মাথা নুয়ে।
১৯২০ সনে একই গাঁয়ে জন্ম নিলেন
জেল – জুলুম সহ্য করে স্বাধীনতা এনে দিলেন।
একাত্তরের ৭ই মার্চ রেসকোর্সে ভাষন দিয়ে
প্রস্ততি নেন যুদ্ধ হবে যার যা আছে তাই নিয়ে।
দেশের মানুষ অস্ত্র হাতে রনাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়ে
বলা চলে বীর বাঙ্গালী মনের জোরে যুদ্ধে লড়ে।
নয় মাস মরণ পন জীবন বাজী যুদ্ধ শেষে
স্বাধীনতার লাল সুর্য উদয় হোলো বাংলাদেশে।
পাকিস্তানের জেল থেকে বঙ্গবন্ধু ফিরে এসে
ধ্বংস প্রাপ্ত দেশ গঠনে মন দিলেন অবশেষে।
১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্ট কাল রাতে
ঘৃন্য কূলাঙ্গারে পিতৃ হত্যার নেশায় মাতে।
সপরিবারে প্রাণ দিলেন বাঙ্গালীর জাতির পিতা
যিনি ছিলেন একাধারে অবিসংবাদিত বিশ্ব নেতা।
১০ বছরের শিশু রাসেল মায়ের কাছে যেতে চায়
নিষ্পাপ হয়েও সে কচি বুকে গুলি খায়।
নবাগতা পূত্রবধুর মেহেদীর রং না শুকাতে
অকাতরে খুন হলেন শোকাবহ নিকষ রাতে।
ভাগ্নে শেখ মনি পাশের বাসায় ছিলেন
অন্তঃসত্বা স্ত্রী আরজুসহ নিজে খুন হলেন।
শেখ নাসের ভাইয়ের সাথে দেখা করতে এলেন
ভাই – ভাবী সহ তিনি একই পথে গেলেন।
মুক্তিযোদ্ধা জামাল – কামাল পিতা মাতার সাথে
শাহাদাত বরন করেন শোকের সেই রাতে।
মুয়াজ্জিনে মসজিদ হতে ফজরের আজান দেন
জনকের পরিবার ঐ সময়ে শহীদ হন।
বাঙ্গালী – বাংলাদেশ হয়ে পড়ে পিতৃহীন
সেই থেকে ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোকের দিন।
|
|
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com