রমজানের জন্য মায়া

Spread the love

আবদুর রাজ্জাক রাজু
বিগত ক’বছর ধরেই মনের নিভৃত কোনে
খেয়াল করছি- রমজান মাস চলে গেলে ভাল লাগে না
কেননা, রমজানে যেমন মনের শুদ্ধতা বজায় থাকে
থাকে শারীরিক সুস্থতাও অন্য মাসে তেমন হয় না।

পেটের নানা ডিসটার্ব, বাতের টুকটাক ব্যথা
দৈহিক ওজনের আধিক্য-খাবার বাড়াবাড়ি
এমনি সংযমের রাশ টানা দায় রমজান
বহির্ভূত মাসগুলোতে।

কিন্তু রমজানের আগমনে যেমন রসনার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব
তেমনি শরীর-স্বাস্থ্য ঝরঝরে পাতলা নিরুপদ্রব
কারণ, সিয়ামে ভোগ-উপভোগের স্বল্পতার সাথে
ইন্দ্রিয়েরও বিভিন্ন ঝুট ঝামেলা কমে যায়।

রমজান একটা নিয়মানুবর্তিতা ও কৃচ্ছতার মাস
পরিশুদ্ধ জীবন যাপনের জন্য কতই না শ্রেয়
মানব জীবনে রোজার দৈহিক দিক শুধু নয়
এর মানসিক, নৈতিক, আত্মিক ও সামাজিক
সব ক্ষেত্রেই সিয়ামের কল্যাণকর প্রভাব অনভূত হয়
রমজানে প্রায় সবকিছুই একটা আদর্শিক বলয়ে
প্রশিক্ষণের মত শৃংখলার মধ্য দিয়ে চলে।

রোজার রয়েছে বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীন দুটি তাৎপর্য
এমাসে মধ্য রাতের কাফেলার ডাক, সাহরী , ইফতার
আযান,কোরআন ও স্রষ্টামুখীতার একটা বিশেষ
ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে।

তাই রমজান বিদায় হলেও তার সুর লহরী যেন
মনে ও কানে বাজতেই থাকে – যেন এ সুধার
পেয়ালা বারো মাস থাকাই উত্তম ছিল যদি আমরা বুঝতাম
তাই প্রতিটি রমজান মাস অতিবাহিত হয়ে যখন এর
বাইরে চলে আসি চিত্তে ও মননে কেমন যেন দুর্বার
মায়া জাগে -– ফলে ক’দিন কিছুটা ঝিমিয়ে চলি …. ।

Please follow and like us:
Pin Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD