মসজিদে তালা ঝুলানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা।

Spread the love

ফরিদপুর (পাবনা) জুয়েল আহমেদ: প্রতিনিধি

দিঘুলীয়া ঈদগাহ জামে মসজিদ ঘিরে এলাকাবাসীর চাঞ্চল্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে:-পাবনার ফরিদপুর উপজেলার সেনদিঘুলিয়া মৌজায় অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন দিঘুলীয়া ঈদগাহ জামে মসজিদে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ব্যক্তি আক্রোশ ও অন্যের প্ররোচনায় মসজিদের প্রধান ফটকে তালা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী। তারা এ ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক, লজ্জাজনক ও নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাটোয়ারা মামলাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি মসজিদের প্রধান গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, মামলায় নালিশী সম্পত্তি হিসেবে যে জমির উল্লেখ করা হয়েছে, সেই জমির ওপরই মসজিদটি নির্মিত। তবে একই সম্পত্তিতে থাকা বসতঘর ও অন্যান্য স্থাপনা খোলা থাকলেও শুধুমাত্র মসজিদে তালা দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, সেনদিঘুলিয়া মৌজার আরএস খতিয়ান নং৯০৯ এবং আরএস দাগ নং ৩৫২৯, ৩৫৩০, ৩৫৩১সহ আরও কয়েকটি দাগ নিয়ে মোট ৫.৪০ একর জমির ওপর বাটোয়ারা মামলা দায়ের করা হয়েছে। রেকর্ডীয় মালিক হিসেবে শহিদুল্লাহ গং-এর নাম উল্লেখ রয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, ওই খতিয়ানের অধিকাংশ জমি পূর্বেই বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে দলিলমূলে বিক্রি ও হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তীতে ক্রয়কারী ব্যক্তিরা নামজারি সম্পন্ন করে জমি নিজেদের নামে রেকর্ডভুক্তও করেছেন।এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাদীপক্ষ জেনেশুনেই পূর্বে বিক্রিত ও হস্তান্তরিত সম্পত্তিকে মামলার অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তাদের মতে, এটি মূলত হয়রানিমূলক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, যাতে জমির বর্তমান ব্যবহারকারীরা সম্পত্তি ভোগদখলে সমস্যায় পড়েন। একই সঙ্গে মামলায় মসজিদের অস্তিত্ব উল্লেখ না করে শুধুমাত্র “পতিত জমি” হিসেবে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় মুসল্লিরা বলেন, “আল্লাহর ইবাদতের স্থান মসজিদে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন ঘটনা বিরল। যদি মামলার কারণেই তালা দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে একই সম্পত্তিতে থাকা অন্যান্য ঘরবাড়িও বন্ধ রাখা উচিত ছিল।”ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকাবাসী ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দ্রুত মসজিদের তালা খুলে ধর্মীয় কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সুশীল সমাজ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তা

Please follow and like us:
Pin Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD