মো: মুন্না হোসাইন তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে আবারও পিছিয়েছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশ তিন ধাপ নেমে গেছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাংবাদিকদের ওপর চাপ, তথ্যপ্রবাহে সীমাবদ্ধতা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন আইনের প্রয়োগ গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে প্রভাবিত করছে। অনেক ক্ষেত্রে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশে অনীহা দেখা যাচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কাজ করা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হয়রানি, মামলা বা আইনি জটিলতার মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশকে সংকুচিত করছে।
তবে সরকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা বজায় রাখতে কিছু নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপ প্রয়োজন। তারা দাবি করেছে, ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচার রোধে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে, যা দেশের স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি।
গণমাধ্যম বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। তাই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ বৃদ্ধি এবং আইনি কাঠামোর ভারসাম্য বজায় রাখা এখন সময়ের দাবি।সার্বিকভাবে, সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান পিছিয়ে যাওয়া দেশের গণমাধ্যম খাতের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকার, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com