মোঃ শামছুল হক,তাড়াশ,
সরকারী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নতুন নতুন পুকুর খনন এবং পানি নিষ্কাশনের উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকায় অন্যান্য বছরের মতো এবারও সিরাজগঞ্জের কয়েকটি উপজেলায় অনাবাদি থেকে যাবে হাজার হাজার বিঘা জমি। এতে পথে বসতে শুরু করেছেন এলাকার কৃষকেরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আগরপুর,খোদ্রশিমলা,কালিকাপুর,চৈ ত্রহাটি, জালশুকা,পাঠানপাড়া,দবিরগন্জ, পাঁচান,কুমারগাইলজানি এবং তাড়াশ উপজেলার মাধবপুর, চকগোপীনাথপুর, সরাপপুর, বোয়ালিয়া, ঝুরঝুরী, জাহাঙ্গীরগাঁতি, চকসরাপপুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে এ জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
যত্রতত্র অপরিকল্পিত পুকুর খননের কারণে এবং উপযুক্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
এবিষয়ে স্থানীয় এবং জাতীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যমে বহুবার স্বচিত্র প্রতিবেদনও প্রকাশ পেয়েছে।
তাতে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের বাণী ছাড়া কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
এলাকাবাসী মানববন্ধন করে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপিও প্রদান করেন।
এমনকি শতশত মানুষ মিছিল নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর প্রতিবাদলিপি জমা দিয়েছেন। তাতেও কাজ হয়নি।
এদিকের আবাদি জমি খনন করে পুকুর তৈরীর ফলে পানি নিষ্কাশনের রাস্তা বন্ধ হওয়ায় বিক্ষুব্ধ জনতা কর্তৃক খনন কাজে ব্যবহ্রত ভেকু মেশিনে আগুন লাগিয়ে দেয়ার মত ঘটনাও ঘটেছে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com