গুরুদাসপর (নাটোর) প্রতিনিধি.
নাটোরের গুরুদাসপুরে একটি সরকারি পুকুর মানুষের জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নানা অব্যবস্থাপনা ও সংস্কারের অভাবে পুকুরটি গিলে খাচ্ছে জায়গা-জমি, রাস্তাঘাট ও গাছপালা। চারপাশ ভাঙতে ভাঙতে ৮ বিঘার পুকুর এখন প্রায় ১৬ বিঘা হয়েছে। উপজেলার চন্দ্রপুর মাঝপাড়া গ্রামের ওই পুকুরটি সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধনও করেছেন এলাকাবাসী।
শনিবার বিকেলে মানববন্ধনে অংশ নেয়া সেনাসদস্য রাব্বী সিকদার ও ইমাম জুয়েল রানা বলেন, পুকুরের চারপাশেই ঘণবসতি। দুইপাড়ে হেড়িংবন্ড রাস্তার অধিকাংশই পুকুরের পেটে চলে গেছে। গ্রামবাসীর অর্থায়নে বাঁশের সাকো তৈরি করা হলেও তা ঝুঁকিপুর্ন। শিশুরা ওই ঝুঁকি মাথায় নিয়েই স্কুলে যাতায়াত করে।
নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবদলের সেক্রেটারী ইমান আলী বলেন, আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেপাল হালদার, বেল্লাল হোসেন, মোজাম্মেল গং পুকুরটি সরকারিভাবে লিজ নিলেও এলাকাবাসীর ভোগান্তি নিরসনে তারা কোনো ভূমিকা রাখেননি। অথচ এই পুকুরে ডুবে কালাম মিয়ার শিশুসহ অনেক শিশু-সন্তান ডুবে মারা গেছে।
স্থানীয় কৃষক নুরুজ্জামান ও গৃহিনী তাছিরনসহ এলাকাবাসী জানান, প্রশাসনে বারবার আবেদন নিবেদন করে আশ্বাস পেলেও পুকুরটি সংস্কার হয়নি। রাস্তার অভাবে লাশ কবরে নিতে হলে ৫ কিলোমিটার পথ ঘুরে যেতে হয়।
নাজিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী বলেন, ডিসি, ইউএনও, এসিল্যান্ড বরাবর বহুবার লিখিত আবেদন দিয়েও প্রতিকার মেলেনি। পুকুরটির ভাঙনরোধে এবং জনস্বার্থে জরুরী ভিত্তিতে সংস্কারের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
এ ব্যাপারে গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ বলেন, সমস্যা নিরসনে ঈদের পরপরই সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com