মুফতি খোন্দকার আমিনুল ইসলাম আবদুল্লাহ।
জেলা সংবাদ দাতা সিরাজগঞ্জ
প্রথম ব্রডগেজ যাত্রীবাহী ট্রেন হিসেবে ঢাকাগামী সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ও মিটারগেজ ট্রেন হিসেবে লালমনিরহাট গামী বুড়িমারী এক্সপ্রেস এর মাধ্যমে গত ১২ই ফেব্রুয়ারি ‘২৫ তারিখে নবনির্মিত যমুনা রেলসেতু দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। বর্তমানে কমার্শিয়াল ট্রায়াল রানের আওতায় মিটারগেজ ও ব্রডগেজ মিলে প্রতিদিন মোট ৩৪টি ট্রেন সীমিত গতিতে একটি লাইন দিয়ে চলাচল করছে। আগামী মাসের মাঝামাঝি সেতুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলে প্রতিদিন কমপক্ষে ৮৮টি ট্রেন নির্ধারিত গতিতে আপ ও ডাউন লাইন ব্যবহার করে পারাপার হবে।
নবনির্মিত যমুনা রেল সেতুর সর্বোচ্চ সুবিধা লাভের জন্য জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত বিদ্যমান সিঙ্গেল লাইনকে ডাবল লাইনে উন্নীতকরণের একটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে, যার সুফল ২০৩০ সালের আগে মিলবে না। এমতাবস্থায় সেতুটির তাৎক্ষণিক সুবিধা হিসেবে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে রাজধানীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলো রানিং টাইমের ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পাবে।
প্রথমত, সেতুতে ডুয়েল গেজ এর দুটো লাইন যুক্ত থাকায় আন্ত:জোনাল ট্রেনগুলোকে আগের মতো সেতুর উভয়পাশের স্টেশনে অপেক্ষমান থাকার প্রয়োজনীয়তা না থাকায় অন্তত ২০ মিনিট সময় কমে আসবে।
দ্বিতীয়ত, অপারেশনাল স্টপেজ হিসেবে টাঙ্গাইল ও সয়দাবাদ স্টেশনে টিএক্সআর টিম এর চেকিং কার্যক্রম পরিচালনার যে রীতি প্রচলিত আছে তা পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আর আবশ্যকীয় নয় মর্মে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিবেচিত হলে ১০ মিনিট সময় বেঁচে যেতে পারে।
পরিবর্তিত পরিস্থিতির বিবেচনায় সকল শ্রেণীর আন্ত:নগর ট্রেন সহ প্যাসেঞ্জার ট্রেন, ফ্রেইট ট্রেন, ট্যাংক স্পেশাল ইত্যাদির পুর্নাঙ্গ সময়সূচি ও আনুষঙ্গিক নির্দেশাবলী সম্বলিত উভয় জোনের জন্য প্রযোজ্য নতুন ওয়ার্কিং টাইমটেবিল প্রণয়ন করে দ্রুত কার্যকর করার ব্যবস্থা নিলে সার্বিকভাবে সেতু ব্যবহারকারী ট্রেনগুলোর পারাপারের সময় বহুলাংশেই কমে ন্যুনতম পর্যায়ে নেমে আসবে।
এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, সংশ্লিষ্ট জোনাল/ডিভিশনাল ট্রেন কন্ট্রোল অফিসগুলোর পারস্পরিক সমন্বয় ও সময়সূচি মোতাবেক ট্রেনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে নির্ভুল ও দ্রুত সিদ্ধান্ত/নির্দেশনা প্রদানে যথোপযুক্ত দক্ষতার প্রয়োগ ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিতে গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রাখবে।
সারমর্ম, ঈশ্বরদী থেকে জয়দেবপুর সিঙ্গেল লাইনের কারণে যমুনা রেলসেতুর সুবিধা থেকে বঞ্চিত পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে ।
কথা সেটা নয়, এখানে রাজশাহীকে যেমন হাইলাইট করা হলো । তেমনি অন্য দিকে কী হাইলাইট করা যায় না? বগুড়া-সিরাজগঞ্জ কর্ড লাইন, পীরগাছা-রংপুর কর্ড লাইন এসব নিয়ে কী আদৌও প্রতিবেদন আসবে? 

স্টপেজ আর ট্রেনের রুট নিয়ে কথা বলার লোক অনেক, কিন্তু আসল পয়েন্টে কথা বলার লোক নাই ।
কতৃপক্ষের কাছে বিষয়টি অবহিত করার জন্য অনুরোধ করছি ।
Weekly Chalonbeel Barta chalonbeelbarta.com