বিশেষ প্রতিনিধি ঃ তাড়াশ উপজেলা পরিষদের প্রধানগেটসহ পরিষদের চর্তুদিকে অবৈধভাবে দখল করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করায় উপজেলা পরিষদ এলাকায় নিরাপত্তা বিঘিœত হলেও প্রশাসন নিরব রয়েছে । উপজেলা পরিষদের ভিতরে মাইক্রোবাস ও বাস ষ্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমান অর্ন্তবতী সরকারের সময়ে সারা দেশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও তাড়াশ উপজেলা পরিষদ অবৈধ স্থাপনা মুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য কোন অভিযান নেই।
সরজমিনে সংশ্লিষ্ট ও সরজমিনে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের পশ্চিমে অডিটোরিয়ামের সামনে উপজেলা আঃলীগের সাঃ সম্পাদক সনজিত কর্মকার অবৈধভাবে জায়গাা দখল করে ঘড় ভাড়া দিয়ে রেখেছে । উক্ত অবৈধ জায়গায় ঘর নির্মাণের কারণে পশ্চিমে পুকুর পাড়াস্থ রাস্তা নির্মাণের যাতায়াতের দুর্ভোগে রয়েছে শতাধিক পরিবার । অবৈধ ঘরটি ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট গত ১৮ ফেব্রয়ারী উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক (অবঃ) মোঃ মোসলেম উদ্দিদন সহ এলাকাবাসির পক্ষে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে । উপজেলা পরিষদের পুর্ব পাশের্^র পুকুর পাড়ের কাউরাইল সড়ক সংলগ্ন কোনাই পাড়া খালে অবৈধভাবে দখল করে পানির উপর ২০-২৫টি খুটি স্থাপন করে বড় ঘুরে তুলে দখল নিয়েছে যুবলীগ নেতা হায়দার আলী এবং এই খালটির তার সামনে অংশে ভরাট করে রাস্তা তৈরি করে জমি ভরাট করেছে নিত্য চন্দ্রের ছেলে কির্তন কুমার । সরজমিনে গিয়ে ২০ ফেব্রয়ারী দেখা যায়, উপজেলা পরিষদের ভিতরে মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড রয়েছে পরিষদের নিরাপত্তার জন্য সীমানা প্রাচীর না থাকায় মাইক্রোস্টান্ড ছাড়া বাস ও ট্রাক চলাচল করছে । গত বৃহস্পতিবার সকালে গিয়ে দেখা যায় কির্তন পরিষদের পুর্বে এখনও মাটি ভরাট করে খাল দখল অব্যাহত রেখেছে । খোজ নিয়ে জানা যায়, যুবলীগ নেতা হায়দার আলী জেনিন বাসের কাউন্টারে টিকিট বিক্রি করলেও অর্থ আত্মসাতের কারণে এখন আত্মগোপনে রয়েছে । কয়েকমাস মাস যাবত প্রকাশ্য সরকারী খাল ভরাট করে রাস্তা বানিয়ে জমি ভরাট করলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ব্যবস্থায় না করায় এলাকাবাসির মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে । তাড়াশ পুর্ব পাড়ার কৃষক জামাল উদ্দিন জানান উত্তর তাড়াশে ব্র্যাক অফিসের মাঠের পানি কোনাই পাড়া হয়ে দক্ষিন মাঠের এই খাল দিয়ে বের হওয়ায় ভরাট করায় জলাবদ্ধতায় তার জমি ডুবে রয়েছে । কোনাই পাড়ার নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক একাধিক ব্যক্তি জানান প্রকাশ্য নিত্য ও হায়দার খাল দখল করলেও প্রশাসন দেখেও কোন অভিযান দিয়ে দখল মুক্ত করেননি । বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) তাড়াশ উপজেলা কমিটির সদস্য সাংবাদিক , সমাজও পরিবেশ উন্নয়নকর্মী গোলাম মোস্তফা জানান তাড়াশ উপজেলার সরকারী খাল ভরাট বন্ধ না হওয়ায় প্রতিবছর একাধিক মাঠ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে বিষয়ে উপজেলায় মানব বন্ধন ও প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছি এবং বর্তমান উপজেলা প্রশাসনকে ভরাট খাল দখল মুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে । অভিযুক্ত রাস্তা ভরাটকারী কির্তন কুমার জানান জমি ভরাট শেষে খাল খুলে দেওয়া হবে কিন্তু সরজমিনে গিয়ে দেখা খালের ভরাটকৃত রাস্তায় স্থায়ী ভাবে ব্যবহারে জন্য নিচে মাত্র পাইপ বসিয়ে রেখেছে । উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অফিসে মিটিং এ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি
চলনবিল বার্তা chalonbeelbarta.com