তাড়াশে শহরে লকডাউন, গ্রামে গ্যাদারিং

Spread the love

গোলাম মোস্তফা:
অতিকারে করোনা সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে জন্য চলছে কঠোর লকডাউন। কিন্তু শহর এলাকাতেই তা কেবল পালন করা হচ্ছে, মানছেন না গ্রামাঞ্চলের মানুষজন। লকডাউন উপেক্ষা করে তারা রীতিমতো গ্যাদারিং করে বেড়াচ্ছেন। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলাতে এমন পরিস্থিতি বিদ্যমান। এদিকে লকডাউন বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা সরকারি সংস্থাগুলো জানিয়েছেন, আগেকার লকডাউল তুলনা করলে এবারে তা লোকজন যথেষ্ট মেনে চলেছেন। সেজন্য স্থানীয় প্রশাসনের সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছেন।
সরেজমিনে শুক্রবার (২ জুলাই) বিকেলে দেখা গেছে, উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বস্তুল গ্রামের বস্তুল বাজার এলাকার একটি মাঠের আশপাশ দিয়ে অনেক লোকজন। সেখানে জনসমাগম দেখে এক-দুজন রীতিমতো ঝালমুড়ি বেচতে শুরু করে দিয়েছেন। বাড়ির বাইরে থাকা সেসব অধিকাংশ মানুষের মুখে মাস্ক ছিলোনা। অনেকে ঐ মাঠের পাশ দিয়ে গাদাগাদি বসে খোশ গল্পে মেতেছিলেন। অনেকে এলোমেলো ঘোরাঘোরি করছিলেন। স্বাস্থ্যভীতির বালইটুকো তাদের মধ্যে নেই বলে মনে হয়েছে।ঐদিন কাটাগাড়ি বাজার ও নাদৌসৈয়দপুর বাজারেও বেশ সংখ্যাক মানুষজন চোখে পড়ে। পরে ইউএনও’র উপস্থিতি টের পেয়ে সবাই বাড়িতে ফিরে যান। বস্তুল গ্রামের কাজেম সরকার (৫১) বলেন, বাড়িতে থাকতে তার ভালো লাগে না। সেজন্য মাঠের দিকে ঘুরতে এসেছেন। মাস্ক তিনি কখনো পড়েন না। কিন্তু মানুষের মুখে করোনার কথা শুনে তিনিও একটু ভয় করেন।
আবু সাইদ (৩৮) নামে আরেকজন বলেন, গ্রামের লোকজনের করোনা হয় না। ওসব রোগবালাই শহরের মানুষের জন্য।এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মেজবাউল করিম বলেন, বিশেষ করে গ্রামীণ হাট-বাজার এলাকার যেখানে লোকজন জমায়েত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে, সেদিকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হচ্ছে। সর্বপরি করোনা মহামারী প্রতিরোধে জনসচেনতা খুব জরুরি।

Please follow and like us:
Pin Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Website Design, Developed & Hosted by ALL IT BD